ব্রেকিং নিউজ» জোয়ার পানিতে চট্টগ্রাম নগরের বিস্তীর্ণ এলাকা আবারো প্লাবিত

এস,আহমেদ ডেক্স প্রতিবেদন; বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে নগরের নিম্নাঞ্চল। হাঁটু থেকে কোমর সমান পানিতে বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে ভোগান্তি বেড়েছে সাধারণ মানুষের। গত কদিন ধরেই আবারো শুরু হলো ‘দুঃখের বারমাইস্যা’ মৌসুমী লঘুচাপ হঠাৎ পাল্টে দিয়েছে আবহাওয়া। সামুদ্রিক জোয়ারে বন্দরনগরীসহ বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলে লঘুচাপ ও বজ্রমেঘের প্রভাবে রাতভর অতিবৃষ্টি ও কাপ্তাাই লেক এর পানিতে চট্রগ্রাম নগরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। গত ৪দিন ধরেইঅব্যাহত ভারী বর্ষণের কারণে গত তিনদিন ধরে কর্ণফুলী নদীতে জোয়ারের পানি বেড়েছে। আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার সাথে অতি বর্ষণে প্লাবিত হচ্ছে বিস্তীর্ণ অঞ্চল।বৃষ্টি চলাকালে জোয়ারের ফলে পানির প্রবাহ বেড়ে যায়। নগরীর বাকলিয়া ডিসি রোড, খাতুনগঞ্জ কোরবাণীগঞ্জ বহদ্দারহাট, চকবাজার, প্রবর্তক মোড়, জিইসি মোড়, মুরাদপুর, অক্সিজেন মোড়, নাছিরাবাদ, বাকলিয়া, চন্দনপুরা ডিসি রোড, রাহাত্তারপুল,পশ্চিম ও পূর্ব বাকলিয়া,চকবাজার কাপাসগোলা, আগ্রাবাদ, হালিশহর, মধ্যম হালিশহর, পাথরঘাটা, আছদগঞ্জ শুটকী পট্টি, রশিদ বিল্ডিং এলাকায় জলাবদ্ধতার দুর্ভোগে পড়েন নগরবাসী। বৃষ্টির সময় জোয়ার থাকায় বিভিন্ন এলাকায় পানি বেশি জমেছে। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে পানি নেমে গেছে। চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরসমূহকে দেখানো হচ্ছে ৩নং সতর্ক সঙ্কেত। সমুদ্র উত্তাল থাকায় ট্রলার নৌযানকে কাছা কাছি থাকতে বলা হয়েছে। সাগরের জোয়ারে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করাতে দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে ।জোয়ারের পানিতে ঘরবাড়ি রাস্তাঘাট দোকানপাট তলিয়ে যায় এতে ভোগান্তি বৃদ্ধি পায়। পানিবন্দি হয়ে পড়ে তাদের দুঃখ কষ্টের শেষ নেই । প্রতিনিয়ত এসব এলাকা পানিতে থৈ থৈ করছে এবং আরো নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে বলে জানান বিভিন্ন সংবাদদাতারা। এই মুহূর্তে দুপুর ১২ টা ২০ মিনিটে সর্বশেষ সংবাদ এ জানা নগরীর বেশ কিছু এলাকায় নতুন করে প্লাবিত হওয়ার খবর পাঠিয়েছেন।হাটু থেকে কোমর পর্যন্ত পানিতে প্লাবিত হচ্ছে জোয়ারে। সাগর উত্তাল থাকায় স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে আজ অধিক জোয়ার প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছে এদিকে আজো আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের নিচতলায় প্রায় হাঁটু সমান পানি উঠে যায়। এতে রোগী, রোগীর স্বজন ও হাসপাতালটির চিকিৎসক এবং সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও বিপাকে পড়েন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসপাতালটির বিভিন্ন সাধারণ বিভাগ, শিশু বিভাগ, অভ্যর্থনা কক্ষসহ সব কিছুই হাঁটু পানিতে তলিয়ে যায়। হাসপাতালের পরিচালক ডা. নুরুল হক বলেন, সকাল থেকেই আমরা পানিতে তলিয়ে গেছি। জোয়ার এবং টানা বর্ষণের কারণে নিচতলায় হাঁটু পানি জমে গেছে হাসপাতালের বিভিন্ন কক্ষে পানি প্রবেশ করেছে। তবে পানি জমে গেলেও চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম চলছিল।