নগরীতে আবার ন্যায্যমূল্যের পণ্য বিক্রি শুরু করেছে (টিসিবি)।

নগরীতে আবার ভ্রাম্যমান ট্রাকে করে ন্যায্যমূল্যের পণ্য বিক্রি শুরু করেছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। শোকাবহ আগস্ট, করোনা পরিস্থিতি এবং দেশব্যাপী একটানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে অনেক এলাকায় বন্যার কারণে নতুন করে আবারো এ কার্যক্রম চালু হলো। গতকাল থেকে শুরু হওয়া টিসিবির এসব পণ্য আগামী ২৭ আগস্ট পর্যন্ত বিক্রি করা হবে বলে জানান টিসিবি চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-ঊর্ধ্বতন কার্যনির্বাহী (অফিস প্রধান) জামাল উদ্দিন আহমেদ। ১০টি ট্রাকে করে নগরীর প্রায় ৪০টি স্পটে গ্রাহকদের মাঝে টিসিবি ন্যায্যমূল্যের পণ্য বিক্রি করছে। মানুষের দৈনন্দিন চাহিদার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পণ্য খুচরা বাজার মূল্যের চেয়ে কম দামে ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রি করা হচ্ছে।এ ব্যাপারে টিসিবি চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-ঊর্ধ্বতন কার্যনির্বাহী (অফিস প্রধান) জামাল উদ্দিন আহমেদ আজাদীকে জানান, শোকাবহ আগস্ট, করোনা পরিস্থিতি ও বন্যার কারণে আমরা আবারো ট্রাকে করে পণ্য বিক্রি শুরু করেছি। নগরীতে প্রায় ৪০টি স্পটে ভ্রাম্যমান ট্রাকে আমাদের নিজস্ব ডিলারের মাধ্যমে ন্যায্য মূল্যের পণ্য বিক্রি শুরু করেছি। প্রতি ট্রাকে প্রতিদিন ১ হাজার লিটার তেল, ৭শ’ কেজি চিনি, ৫শ’ কেজি মসুর ডাল দেয়া হচ্ছে। ট্রাক থেকে ক্রেতারা প্রতি কেজি মসুর ডাল ৫০ টাকায়, প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ৮০ টাকা এবং চিনি প্রতি কেজি ৫০টাকায় ক্রয় করতে পারবেন। গতকাল নগরীর দুটি খুচরা বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৫৮ টাকায়, সয়াবিন প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে (এস আলম) ৯০ টাকা, (রূপচাঁদা) ১০০ টাকা এবং মসুর ডাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। বাজার মূল্য থেকে টিসিবির পণ্যের দাম ৮ টাকা থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কম হওয়ায় টিসিবির পণ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়ে গেছে। এজন্য টিসিবির ট্রাক প্রতিদিন যে জায়গায় যায় সেখানে আগ্রহী মানুষের ভিড় বেড়ে যায়। টিসিবি অফিস প্রধান জামাল উদ্দিন আহমেদ জানান, আমাদের পন্যের মান ভালো। ভোক্তারা আমাদের পণ্যের মানে সন্তুষ্ট। ১০টি ট্রাক প্রতিদিন গুরুত্বপূর্ণ একেক জায়গায় অবস্থান করে।করোনার কারণে পণ্যবিক্রির ক্ষেত্রে ডিলারদের ভালোভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ক্রেতাদের ৩ ফুট দূরত্ব রক্ষা করে লাইনে দাঁড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলেছি। প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা নিতেও বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক নির্দেশনা দেওয়া আছে।উল্লেখ্য, করোনাকালীন নগরী ও জেলায় টিসিবি ট্রাকে করে পণ্য বিক্রি করেছিল। পরবর্তীতে রমজান জুড়ে এবং কোরবানী ঈদের আগেও পণ্য বিক্রি করেছিল।