ব্রেকিং নিউজ »নগরীতে লোডশেডিংয়ে তীব্র গরমে অতিষ্ট বিপর্যস্ত জনজীবন

আজ রোববার((৬সেপ্টেম্বর)চট্রগ্রাম নগরীতে গত কয়েকদিন যাবত তীব্র গরমে অতিষ্ট হয়ে পড়ে জনজীবন। আকাশে ঝলমলে রোদের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। চট্টগ্রামসহ সারাদেশে বেশি সমস্যার মধ্যে দুর্বিষহ তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষগুলো। তার সঙ্গে চলছে বিদ্যুতের ভেলকিবাজি ।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিনিয়ত বিদ্যুৎ সামগ্রী নষ্ট হচ্ছে। তাই বর্তমানে করনা পরিস্থিতির কারণে অর্থনৈতিক অবস্থা নাজুক এমতাবস্থায় একটু স্বস্তিতে, থাকতে নিত্যপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক সামগ্রী মেরামত ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা ।

মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, প্রচণ্ড গরমের সঙ্গে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এতে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি কলকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ব্যাহত হওয়া ছাড়াও অফিস আদালতে কাজকর্ম স্থবির হয়ে পড়েছে। হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়ছে। তাই দেশের কোনো কোনো অঞ্চলে তাপপ্রবাহে নাভিশ্বাস অবস্থা।প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। এরই মধ্যে চট্রগ্রাম নগরীতে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে। এদিকে গরমের কারণে বেড়ে গেছে বিদ্যুতের চাহিদা।

সরজমিন ঘুরে দেখা যায়,হিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে না পারার কারণে চট্রগ্রামে বেশকিছু এলাকায় শুরু হয়েছে লোডশেডিং। মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন,গত কয়েক দিন ধরেই সন্ধ্যার দিকে বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। আসছে প্রায় এক ঘণ্টা পর। এই ঘটনা একবার নয়। সন্ধ্যার পর কয়েকবার আধা ঘণ্টা করেও বিদ্যুৎ চলে গিয়েছে। দীর্ঘদিন এ ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট না হওয়ার কারণে ভোগান্তি বেশি হচ্ছে।প্রায় প্রতিদিনই একবার করে লোডশেডিং হচ্ছে।সূর্যের প্রখর তাপ আর ভ্যাপসা গরমে ক্লান্ত নগরজীবন।

এই তীব্র গরমে মাঠঘাট, বাজার, গ্রাম-নগর কোথাও স্বস্তি নেই। তীব্র গরমে নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। ঘরে বাইরে কোথাও স্বস্তিতে থাকতে পারছে না মানুষ। তাপদাহ শরীরে জ্বালাপোড়া ধরাচ্ছে। তীব্র গরমে অফিসে কর্মকর্তা কর্মচারীরা কেবল সিলিং ফ্যানের হাওয়ায় কাজকর্ম সারছেন তারাও হাঁপিয়ে উঠেছেন।তবে বাতাসে অতি আর্দ্রতার প্রভাবে তাপে অস্বস্তি বাড়ছে। তাপমাত্রার চেয়ে গরম অনুভূত হচ্ছে বেশি।তীব্র খরতাপে হাঁসফাঁস করছেন শহরবাসী। নিদাঘের তপ্ত বাতাস আগুনের হলকার মতো শরীর ছুুঁয়ে যাচ্ছে। তেষ্ঠায় শুকিয়ে যাচ্ছে বুক। তাতানো রোদ্দুর আর হাওয়ারুদ্ধ প্রকৃতিতে নেতিয়ে পড়ছে গাছ-গুল্ম-লতা। প্রাণীকুল বিপর্যস্ত অবস্থায় সময় কাটাচ্ছে। শিশু ও বৃদ্ধরা কাবু হয়ে পড়ছেন। দেখা দিচ্ছে ডায়রিয়াসহ নানা ধরনের রোগবালাই। কর্মজীবী মানুষ ঘরের বাইরে অতিরিক্ত ঘাম ঝরিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন।ভ্যাপসা গরমের সঙ্গে লোডশেডিংয়ে জনজীবনে নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রম হচ্ছে। কাঠফাটা রোদের তেজ আর গরমের দাপটে কার্যত নাকানিচোবানি অবস্থা।

এছাড়া নগরীতে তবে বাতাসে অতি আর্দ্রতার প্রভাবে তাপে অস্বস্তি বাড়ছে। তাপমাত্রার চেয়ে গরম অনুভূত হচ্ছে বেশি।কিন্তু গরমের তীব্রতা অনুভূত হয়েছে অনেক বেশি। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৬৩ ভাগ। এই আর্দ্রতার পরিমাণ বাড়লে দাবদাহও বাড়বে।