ভ্যাপসা গরম, বৃষ্টিতে স্বস্তি চট্টগ্রামে আতঙ্কও দুর্ভোগ চরমে

 
এস,আহমেদ ডেক্স প্রতিবেদনঃ শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত থেকেই শুরু হয় ঝুম বৃষ্টি। বেশ কিছুক্ষণ ধরেই টানা বৃষ্টিপাত হয়। এতে করে বিভিন্ন সড়কে জমে যায় হাঁটু পানি। ভারি বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় বন্দর নগরী চট্টগ্রামের অধিকাংশ সড়কের অবস্থা বেহাল। রাস্তায় রাস্তায় ছোট বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। আর কোথাও কার্পেটিং উঠে সড়ক চেনারই উপায় নেই। এসব সড়কে চলাচল করতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এবড়োথেবড়ো রাস্তা দিয়ে পায়ে হাঁটা সম্ভব না। এর মধ্যেই বিভিন্ন সেবা সংস্থার উন্নয়নকাজের খোঁড়াখুঁড়িতে রাস্তার অবস্থা অনেক নাজুক। এ নির্মাণকাজ মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা রূপে অর্বিভূত হয়েছে। যানবাহনগুলো চলছে হেলে দুলে। চলতে গিয়ে মাঝে মাঝে যানবাহন বিকল হয়ে সড়কে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টি-জোয়ারের পানিতে চট্টগ্রামে দুর্ভোগে চরমে ।কারণ থেমে থেমে মাঝারি হালকা ও অঝর বৃষ্টি হচ্ছে। একই সাথে সাগরও উত্তাল রয়েছে। নগরীর নিম্নাঞ্চলগুলোতেও বৃষ্টির পাশাপাশি জোয়ারের পানিতে আতংকিত রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা। বৃষ্টির কারণে নগরীর পাহাড়ধস আতঙ্কও রয়েছে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত লোকজনের মধ্যে। ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের সরাতে নড়চড়ে বসে প্রশাসন। শুরু হয় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরির্দশন, মাইকিং, সচেতনতা আর আশ্রয়কেন্দ্র খোলার তোড়জোড়। এবারও শুরু হয়েছে প্রশাসনের এসব কার্যক্রম। ভারী বৃষ্টিপাতে ভূমি ধসের শঙ্কায় পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের সরিয়ে নিতে কয়েক দফায় মাইকিং করেছে জেলা প্রশাসন। চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত বহাল রেখেছে আবহাওয়া অফিস।
বেশ কয়েকদিন ধরে তীব্র ভ্যাপসা গরম ও দাবদাহ শেষে স্বস্তির বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এতে করে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় মানুষের মাঝে শান্তি ফিরেছে। এ দিকে বৃষ্টিতে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুরসহ সাধারণ মানুষ।এদিকে বেশ কয়েকদিন তীব্র গরমের পর বৃষ্টি হওয়ায় অনেক শিশু-কিশোর ভিজে ভিজে আনন্দ উচ্ছ্বাসে সময়টা উপভোগ করেন সড়কে অলি গলিতে। তীব্র ভ্যাপসা গরমের কারণে মানুষের চলাফেরা করাই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছিল। সারাদিন ফ্যান চালিয়েও গরম থেকে বাঁচা যাচ্ছিল না। তখন থেকেই মনে হচ্ছিল বৃষ্টি হলে হয়তো বা গরমের মাত্রা কিছুটা কমে আসবে। আজ সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে। সকাল থেকে স্বস্তির বৃষ্টি হয়েছে। এতে করে আগের তুলনায় প্রকৃতিতে কিছুটা শীতল স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে ।বাইরে শীতল হাওয়া বইছে।
এ দিকে । সড়কগুলো অনেকটা ফাকা অনেককে দীর্ঘক্ষণ দাড়িয়ে থেকে বৃষ্টির মধ্যে ভিজেই চলে যেতে দেখা গেছে। আবার কেউ কেউ ভ্যান-রিকশাযোগে গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন। বৃষ্টির কারণে মানুষের উপস্থিতি কমে যাওয়ায় ভ্যান-রিকশা চালকদের আয় কমার পাশাপাশি কাজে যেতে না পেরে বিপাকে পড়েছিলেন খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষ।