প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে রংবে রংয়ের ফানুস ওড়ানো উৎসব

স্বর্ণালী প্রিয়া ডেক্স প্রতিবেদনঃ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা ,বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা আজ। আকাশ প্রদীপ প্রজলনের পর সন্ধ্যায় ওড়ানো হয় নানান রংবে রংয়ের শত শত ফানুস । চট্রগ্রামে আতশবাজি ও উড়ন্ত ফানুসে রঙিন হয়ে ওঠে রাতের আকাশ। বাঙালি হাজারো নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে বৈচিত্র্যের মিলন উৎসবে পরিণত হয়।আজ ফানুসে ফানুসে ছেয়ে যায় আকাশ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এ ফানুস উৎসবে যোগ দেন। আড়াই হাজার বছর আগে গৌতম বুদ্ধ নির্বাণ লাভের পর আষাঢ়ি পূর্ণিমা থেকে আশ্বিনী পূর্ণিমা তিথি পর্যন্ত তিন মাস বর্ষাবাস শেষে প্রবারণা উৎসব পালন করেন। সেই থেকে বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরুরা বর্ষাবাস শেষে দিবসটি পালন করে আসছেন। তাই ভিক্ষু সংঘের ত্রৈমাসিক বর্ষাব্রত শেষে আসে এ প্রবারণা তিথি।প্রবারণা হলো আত্মশুদ্ধি ও অশুভকে বর্জন করে সত্য ও সুন্দরকে বরণের অনুষ্ঠান। প্রবারণা পূর্ণিমার পরদিন থেকে এক মাস দেশের প্রতিটি বৌদ্ধবিহারে শুরু হবে কঠিন চিবর দান উৎসব।বৌদ্ধবিহারে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এরমধ্যে রয়েছে জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকা উত্তোলন, ভিক্ষু সংঘের প্রাতরাশ, মঙ্গলসূত্র পাঠ, বুদ্ধপূজা, পঞ্চশিল ও অষ্টাঙ্গ উপসথ শিল গ্রহণ, মহাসংসদান, অতিথি আপ্যায়ন, পবিত্র ত্রিপিটক থেকে পাঠ, আলোচনা সভা, প্রদীপ পূজা, আলোকসজ্জা, বিশ্বশান্তি কামনায় সম্মিলিত বুদ্ধোপাসনা, ফানুস ওড়ানো ও বুদ্ধকীর্তন। এ উৎসবের প্রধান আকর্ষণ ফানুস উড়ানোর সময়ও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০ টা র্পযন্ত। । পাশাপাশি বৌদ্ধদের এ ধর্মীয় উৎসবকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে সিএমপির পক্ষ থেকে।প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে নগরীতে জনসাধারণের চলাচলের সুবিধার্থে, যানজট নিরসনে এবং সুষ্ঠু ট্রাফিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ এর ট্রাফিক বিভাগ ব্যবস্থা নিয়েছে।