ধর্ষণকে ইস্যু বানিয়ে অরাজকতা সৃষ্টির ক্রীড়ানকদেরকে সরকার চিহ্নিত করছে-নাছির উদ্দীন

নারী ও শিশু ধর্ষণের ঘটনাকে ইস্যু বানিয়ে অরাজকতা সৃষ্টির ক্রীড়ানকদেরকে সরকার চিহ্নিত করছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।
আজ বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর ১১ নং দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আওতাধীন “এ”, “বি”ও” সি” ইউনিট আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির পৃথক পৃথক সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ধর্ষণের ঘটনাকে ইস্যু বানিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির কলকাঠি যারা নাড়ছেন তারা আর কেউ নয়। স্বাধীনতা বিরোধী বিএনপি-জামায়াত জোট ও তাদের দোসররা সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে আন্দোলন করছে। আন্দোলনকারীরা ধর্ষকদের বিরুদ্ধে না দাঁড়িয়ে সরকারের পদত্যাগ দাবি করছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চায়। তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি পোড়ানোর মত দুঃসাহস দেখায় কিন্তু ধর্ষকদের ছবি পোড়ায় না। তারেক জিয়ার নির্দেশে দেশে থাকা ক্রীড়ানকরা এই ষড়যন্ত্র করে চলেছে। সরকার এসব ক্রীড়ানকদেরকে চিহ্নিত করছে। এই পর্যন্ত সকল ধর্ষণ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ বিচার করছে সরকার।
পৃথক পৃথক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী। সভাগুলোতে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম রেজাউল করিম চৌধুরী, উপদেষ্টা শফর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মসিউর রহমান চৌধুরী, ত্রাণ ও সমাজ কল্যান সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু তাহের, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক দিদারুল আলম চৌধুরী, উপপ্রচার সম্পাদক শহীদুল আলম, কার্য নির্বাহী সদস্য সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, বেলাল আহমদ, দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক মো ইসমাইল, সাধারণ সম্পাদক আসলাম হোসেন সওদাগর, দক্ষিণ কাট্টলী “এ” ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাধারণ সম্পাদক পল্টন দাশ,”বি” ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির সওদাগর, “সি” ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাহারে আলম প্রমুখ।
পৃথক তিনটি সভায় “এ” ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল আলম, “বি” ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি মো আখতারুজ্জামান ও “সি” ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি এমদাদুল হক ভুঁইয়া সভাপতিত্ব করেন।