পূজা শেষে মায়ের পায়ে অঞ্জলি,আজ মহাসপ্তমী

 

 

আজ শুক্রবার(২৩অক্টোবর) পূর্বাভাস ছিলই, সেইমতোই সপ্তমীর সকাল থেকেই মুখ ভার আকাশের।মণ্ডপে প্রবেশ করছেন দর্শনার্থীরা। কিন্তু সপ্তমীর এ দিনে বৃষ্টিতে খানিক বিপত্তি ঘটেছে।  বৃহস্পতিবার থেকে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত শুরু হলে শুক্রবারও তা অব্যাহত থাকায় দেখা দিয়েছে বিপত্তি। আজছুটির দিন হওয়ায় সকাল থেকে পূজা মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় থাকার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না দর্শনার্থীরা। তবে বিকালে দর্শনার্থী বের হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও বৃষ্টিতে  হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষটরা।

সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মেতে উঠেছে পূজার আনন্দে। মণ্ডপে মন্ত্রের ধ্বনিতে যেন উচ্চারিত হচ্ছে বাঙালি হিন্দুর হৃদয়তন্ত্রীতে বাঁধভাঙা আনন্দের জোয়ার।সেই জোয়ারে ভেসে দুর্গোৎসবের ষষ্ঠী পেরিয়ে আজ সপ্তমী।আজ সকাল থেকে শুরু হয় সপ্তমী পূজার আনুষ্ঠানিকতা।বিশেষ রীতি মেনে স্নান করানো হয় মা দুর্গাকে। এসময় দেবী দুর্গার প্রতিবিম্ব আয়নায় ফেলে বিশেষ ধর্মীয় রীতিতে স্নান সেরে, বস্ত্র ও নানা উপচারে মায়ের পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

ত্রিনয়না দেবীর তৃতীয় চক্ষুদান করা হয়। নবপত্রিকা প্রবেশ ও স্থাপন শেষে দেবীর মহাসপ্তমী বিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর এবারের পূজার প্রথম অঞ্জলি। উপোস রেখে মায়ের পায়ে ফুলের অঞ্জলি দিয়ে চরণামৃত পান করে দিনের শুরু করবেন ভক্তরা।কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে লোক কম হলেও সমস্ত নিয়ম মেনেই হচ্ছে পুজো।

সপ্তমী, মহাঅষ্টমী, মহানবমী সবগুলো দিনই আমাদের জন্য বিশেষ আনন্দের। এবার তো উৎসব হবে না, শুধু নিয়মের পূজাটি আমরা করবো। সকালের পূজো শেষে আমরা মায়ের পায়ে অঞ্জলি দেবো। এসময় স্বাস্থ্যবিধি মেনেই অঞ্জলি দেওয়া হবে এবং এবার ভক্তদের প্রসাদ দেওয়াও বন্ধ রয়েছে।আজ সকালের পূজো সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে সকাল সাড়ে ১০টায়। এরপর সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত অঞ্জলি দেওয়া হবে। আর ১২টা এক মিনিটে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সমস্ত মানুষ যেন করোনা মহামারি থেকে মুক্তি পায়, সেই উদ্দেশ্যে বিশেষ প্রার্থনা করা হবে সমস্ত মণ্ডপে।