শীতকালের  বাহারি সবজির দাম কমছে তবে বাড়ছে চাউলের দাম» »

এস,আহমেদ ডেক্স প্রতিবেদন »বুধবার, নভেম্বর ২৫, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭   শীতকাল মানেই বাজারে বাহারি সবজির পসরা। কম দামে পছন্দের সবজি কেনার সুযোগ। তবে বেশ কদিন ধরে  উল্টো চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের শাক ও সবজি।এর সঙ্গে  আলুর চড়া দাম তো আছেই।  শীতকালীন সবজি বাজারে আসতে শুরু করেছে  এখন বাজারগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্নরকম শীতকালিন সবজি  ফলে বাজারে  গত দুদিন ধরেই এখন  সবজির দাম কিছুটা কমছে। তার সাথে পাল্লা দিয়েই বাড়ছে   চাউলের  দাম।নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজাার, বক্সিরহার্ট,বৌবাজার চকবাজার  অলংকার, পাহাড়তলী ও কর্ণফুলী মার্কেটে সবজির বাজার  ঘুরে দেখা যায়, বাজারে ট্রাকে ও ভ্যানে করে আসছে নানা ধরনের সবজি। সরবরাহ বেশি থাকায় বাজারে প্রায় সবজি, ডিম, মাছ ও মাংসের দাম কমেছে।

 

বাজার ভেদে সকল সবজির দামে কিছুটা পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। কেজি প্রতি ফুলকপি৫০-৬০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ টাকা, মূলা ৩০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, শিম ৫০ টাকা,প্রতিকেজি চিচিঙ্গা-ধন্দুল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা কেজিতে, পটল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়,পেঁপে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, কচুর ছড়া ৫০ টাকা, কচুর লতি ৫০ থেকে ৭০ টাকা,

বেগুন ৫০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, লাউ ৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ৭০ টাকা ও ধনেপাতা ৭০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

জালি কুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বড় কচু ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।তবে কিছুটা দাম কমেছে শসা, কাঁচা মরিচ ও ফুল কপির।তবে বিক্রেতারা বলছেন,

সীতাকুণ্ড ও মিরসরাইয়ের সবজি এখন আসা শুরু হয়েছে। এছাড়াও চট্টগ্রামের স্থানীয় সবজিও আসছে। সরবরাহ বাড়তি থাকায় এখন সবজির দাম অনেক কমেছে। আরো কিছুদিন পর দাম আরো কমবে বলে জানান ব্যবসায়িরা সরকার দুই দফায় আলুর দাম বেঁধে দিলেও বাজারে সরকারের নির্দেশনার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।

করোনার মধ্যে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ডিমের দামও বেড়েছিল। তবে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় ডিমের দাম আবার কমে এসেছে।

এদিকে ক্রেতারা বলছেন, বাজারে বছরের সব সময়ই সবজির সরবরাহ থাকে। তবে সে তুলনায় দাম কমে না।