স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে মিলনের আত্মত্যাগে নতুন গতি সঞ্চারিত হয়: প্রধানমন্ত্রী

 
আজ বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) ’৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সকল শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, ডা. মিলনের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে তখনকার স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নতুন গতি সঞ্চারিত হয়।আগামীকাল ডা. শামসুল আলম খান মিলন-এর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে একথা বলেন। তিনি নব্বই এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পেশাজীবী নেতা ডা. শামসুল আলম খান মিলন- এর মৃত্যু বার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।ডা. মিলন ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক এবং বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের তৎকালীন যুগ্ম-মহাসচিব ছিলেন। তিনি ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের একটি সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ঘাতকদের গুলিতে শহিদ হন।
 
প্রধানমন্ত্রী জানান ,ডা. মিলনের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে তখনকার স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নতুন গতি সঞ্চারিত হয়। সেদিনই দেশে জরুরি আইন ঘোষণা করা হয়। কিন্তু জরুরি আইন, কারফিউ উপেক্ষা করে ছাত্র-জনতা মিছিল নিয়ে বারবার রাজপথে নেমে আসে। অবশেষে স্বৈরশাসকের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়।”গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই সংগ্রামে ডা. মিলন ছাড়াও যুবলীগ নেতা নূর হোসেন, নূরুল হুদা, বাবুল, ফাত্তাহসহ অগণিত গণতন্ত্রকামী মানুষের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার রাজপথ। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় ভোট ও ভাতের অধিকার। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁদের অবদান জাতি শ্রদ্ধাভরে সবসময় স্মরণ করবে।’
 
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে ডা. শামসুল আলম খান মিলনের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।