২০২৪ সালে উৎপাদনে যাবে মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র

আজ শুক্রবার(৮ জানুয়ারি) কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে দ্রুত গতিতে। এরই মধ্যে অর্ধেক কাজ শেষ হয়েছে।প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তারা জানান ২০২৪ সালে পুরোপুরি উৎপাদনে যেতে পারবে প্রতিষ্ঠানটি। তারা আশাবাদি, বিদ্যুত কেন্দ্রটির কয়লা আমদানির সুবিধার্থে স্থাপন করা মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরও দুয়েক বছরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে।

কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়িতে ২০১৪ সালে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক প্রকল্পের অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি-একনেক। যেটি দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিদ্যুত উৎপাদন প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত। কারণ এখানে কয়লা আমদানির জন্য গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরি, চ্যানেল খনন, কয়লা খালাসের জন্য জেটি এবং অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ও জাপানের যৌথ অর্থায়নে এ প্রকল্পের কাজ করছে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড।

প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে দ্রুত গতিতে। গভীর সমুদ্রবন্দরের জেটির নির্মাণ কাজ শেষের পথে। এরইমধ্যে জেটিতে পরীক্ষামূলকভাবে ভিড়েছে একটি বিদেশি জাহাজ। প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থার কর্মকর্তারা জানালেন, ৪৪ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। ২০২৪ সাল নাগাদ বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ার বিষয়ে আশাবাদি জেলা প্রশাসকও। জানালেন, দ্রুতই এখানে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

তিনি বললেন, এই উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে কক্সবাজার দেশের অন্যতম অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে উঠবে।