থামছে না উত্তাপ-আতঙ্ক সংঘাতময় হয়ে উঠছে চসিক নির্বাচন মাঠ নগরজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা

আরমাত্র ৪ দিন পরই চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন। নির্বাচন ঘনিয়ে আসতেই হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভোটের মাঠ। নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সহিংস ঘটনায় গরম হয়ে উঠেছে ভোটের মাঠ। এতে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন নির্বাচন বিশ্লেষকেরাও। বিএনপি মেয়র প্রার্থী ছাড়াও কাউন্সিলর প্রার্থীরা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

গত ৮ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়। সহিংসতা দিয়ে শুরু হয় প্রচারণা। প্রচারণা শুরু থেকে প্রতিদিনই সংঘাত-সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছিল ছিল নির্বাচন কমিশনে। বেশির ভাগ অভিযোগ ছিল পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা, ভয়ভীতি দেখানো ও প্রচারণায় বাধা। নির্বাচন কমিশনে জমা পড়া ৫৩ টি অভিযোগের মধ্যে বেশি অভিযোগ ছিল আওয়ামী লীগ দলীয় ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের ঘিরে। গত দু-এক দিন থেকে নির্বাচনী পরিবেশ অশান্ত হয়ে উঠেছে। বেড়ে শঙ্কা আর আতঙ্ক। বিএনপির দাবি, গত বুধবার রাতে দলীয় কার্যালয়ে বিএনপির মেয়র প্রার্থীসহ দলের শীর্ষ নেতা ও কর্মীদের দলীয় কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। এছাড়াও বাকরিয়া, পাহাড়তলী ওয়ার্ডে নেতাকর্মীদের উপর হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। হামলা চালানোর পর উল্টো দলীয় দলীয় নেতাকর্মীদের নামে বিভিন্ন থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আতঙ্কে রয়েছে দলীয় নেতাকর্মীরা।বিএনপিদলীয় প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন নির্বাচনে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ও শঙ্কা প্রকাশ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছেন।পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
দুই মেয়র প্রার্থী ছাড়াও কাউন্সিলর প্রার্থীরাও পরস্পরবিরোধী অভিযোগ দায়ের করেছেন। বেশির ভাগ অভিযোগ ছিল পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা, ভয়ভীতি দেখানো ও প্রচারণা বাধা। অভিযোগ-পাল্টাপাল্টি অভিযোগে নির্বাচনে সহিংসতা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।