ব্রেকিং নিউজ-নগরজুড়ে আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি

ব্রেকিং নিউজ- চসিক নির্বাচনের প্রচারণা শেষ।কোলাহলমূখর বন্দরনগরী চট্টগ্রাম এখন অনেকটাই ফাঁকা কেন্দ্রের বাইরে টহল সাদা পোশাকের পুলিশ ও নগর গোয়েন্দা সদস্যরা তৎপর এদিকে নির্বাচনী সহিংসতা মোকাবেলায় কয়েকদিন ধরে নিয়মিত বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে আসছে নগর পুলিশ।নির্বাচনী পরিবেশ শান্ত রাখতে পুলিশ কঠোর ভূমিকায় থাকার কথা শুরু থেকে জানিয়ে আসছেন নগর পুলিশ কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর। আজ সকালে নগরের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়াম থেকে কর্মকর্তারা ইভিএমের সামগ্রী নিয়ে কেন্দ্রে যাবেন।

এ দিকে বিশেষ সূত্রে জানা অর্ধেকের বেশি কেন্দ্র ‘ঝুঁকিপূর্ণ প্রার্থীদের অবস্থান এবং বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে ৭২৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪১৭টিকে (প্রায় ৫৮ শতাংশ) ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ভোটের দিন এসব কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।আগামীকাল বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের নিরাপত্তায় সোমবার থেকেই মাঠে নেমেছেন নগর পুলিশ সদস্যসহ আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর প্রায় ৯ হাজার সদস্য।২৫ প্লাটুন বিজিবি মোবাইল টিমে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে সব কেন্দ্রে কাজ করবে।’সাদা পোশাকের পুলিশ ও নগর গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা তৎপর স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রস্তুত থাকবে নগর পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিটের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, কাউন্টার টেররিজম ও সোয়াট।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের সার্বিক শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ৬৯ জন ম্যাজিস্ট্রেট ভোটের দিন মাঠে সক্রিয় থাকবেন। তাদের নির্দেশনায় মাঠে কাজ করবেন বিজিবি সদস্যরা। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ২৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।’উল্লেখ্য, আগামীকাল (২৭ জানুয়ারি) চসিক নির্বাচনের ৪১ ওয়ার্ডে ৭৩৫টি ভোট কেন্দ্রে থাকবে ৪ হাজার ৮৮৬টি বুথ। এসব কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন ৭৭৫ প্রিসাইডিং অফিসার, ৪ হাজার ৮৮৬ সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও ৯ হাজার ৭৭২ পোলিং অফিসার। এবার চসিক নির্বাচনে ভোটার ১৯ লাখ ১৭ হাজার ৯৭৮। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৭২৩ ও নারী ভোটার ৯ লাখ ৫২ হাজার ৩২৯ জন।