ব্রেকিং নিউজ » সৈকত শহর কক্সবাজারে ভিড় করেছেন হাজার হাজার পর্যটক

নাজমূল বরাত সৈকত শহর কক্সবাজার থেকে » করোনা মহামারির মাঝেও চাঙা কক্সবাজারের পর্যটন ব্যবসা। পর্যটক আগমন বাড়ায় সৈকত এলাকার ব্যবসায়ীরা দারুণ খুশি। আর করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি মানলে পর্যটন খাতে অর্থনীতির চাকা সচল থাকবে বলে মনে করেন। সৈকত শহর কক্সবাজারে ভিড় করছেন হাজার হাজার পর্যটক। করোনার মাঝেও পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে সৈকত শহরেরর অপরূপ সৌন্দর্য দর্শনেও পরিবার নিয়ে কক্সবাজারে। সৈকতে সময় কাটানোর পাশাপাশি ঘুরেছেন আশপাশের কিছু এলাকাতেও সাপ্তাহিক ছুটির দিন এবং নানা দিবসের ছুটিতে পর্যটকে টইটম্বুর হচ্ছে সৈকতের বালিয়াড়ি। ছুটিতে লোকারণ্য হয়ে ওঠা কক্সবাজার সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও ভরে উঠছে। ফলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে পূর্ণ হয়ে গেছে সৈকত তীরের হোটেল-মোটেল-কটেজ ও গেস্ট হাউজগুলো।

সৈকতের প্রতিটি পয়েন্ট।বিপুলসংখ্যক পর্যটকের আগমনে কর্মব্যস্ততা বেড়েছে সৈকত এলাকার ফটোগ্রাফার,

জেড স্কি ও বিচ বাইক চালকদের। একই সঙ্গে জমজমাট ব্যবসা বার্মিজ মার্কেটগুলোতেও। ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়ে পণ্যের কেনাবেচায় সরগরম দোকানগুলো।
কক্সবাজারের সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল মোটেল ও রিসোর্টগুলো পর্যটকে কানায় কানায় পূর্ণ। নতুন বছরে শুরু থেকে পর্যটকের আগমনে সরব হয়ে উঠেছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার, ইনানী ও প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনে গত কয়েক দিনে ভ্রমণে আসেন১০ লাখেরও বেশি পর্যটক গত কাল ও আজ শুক্রবার ০৫ ফেব্রুয়ারি আরো বাড়বে বলে আশা পর্যটনসংশ্লিষ্টদের।করোনাকালীন সময়ে সবাই স্বাস্থ্যবিধি মানলেই পর্যটন খাতে অর্থনীতির চাকা সচল থাকবে।

শুক্রবার ভোর থেকে সৈকতে ভিড় করেছেন নানা বয়সী পর্যটক। তবে সিংহভাগ পর্যটকই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না বলে অভিযোগ করেছে সৈকতে দায়িত্বরত লাইফগার্ড কর্মীরা।

এরপরও, বেড়াতে আসা পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্য সেবা দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। আর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সার্বক্ষণিক কাজ করছে ট্যুরিস্ট ও জেলা পুলিশ এবং জেলা প্রশাসন। আগত পর্যটকরা সমুদ্র সৈকতের পাশাপাশি দরিয়ানগর, হিমছড়ি ঝর্ণা, ইনানীর পাথুরে সৈকত, রামু বৌদ্ধ বিহার, মহেশখালী আদিনাথ মন্দিরসহ জেলার পর্যটন স্পটগুলোতেও ঢুঁ মারছেন।