দোহাজারীতে একটি অত্যাধুনিক জংশন হবে -রেলমন্ত্রী

আগামী ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইনের কাজ শেষ করে ট্রেন চলাচলের উপযোগী করা হবে। ফলে আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে রেলে চড়ে কক্সবাজার যাতায়াত করা যাবে।
শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি)দুপুর ২ টায় পটিয়া রেল স্টেশন চত্বরে ডেমু ট্রেন উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন এ কথা বলেন। এর আগে বেলা ১২ টায় দোহাজারী রেল স্টেশন চত্বরে ডেমু ট্রেন উদ্বোধন করা হয়।
রেলমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের রেলযোগাযোগ উন্নত করার লক্ষ্যে দোহাজারীতে একটি অত্যাধুনিক জংশন হবে। যোগাযোগের পাশাপাশি এখানে অনেকের কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হবে।২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইনের কাজ শেষ করে ট্রেনচলাচলের উপযোগী করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।রেলওয়ের জায়গা যারা দখল করে আছেন, তারা দ্রুত সরে যান। অচিরেই রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ অভিযান পরিচলনা করবে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, প্রথম পরীক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে এখানে ডেমু ট্রেন দেয়া হয়েছে। যোগাযোগব্যবস্থাকে উন্নত করার লক্ষ্যে ভবিষ্যতে ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি মেগাপ্রকল্পের মধ্যে দুটি রেলওয়ের প্রকল্প রয়েছে। একটি পদ্মাসেতুর সঙ্গে রেলযোগাযোগ, আরেকটি মিয়ানমার, চীন ও ভারতের সঙ্গে রেলসংযোগ প্রকল্প।
পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী, সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দিন আহমদ, সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী, রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী, উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমদ, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান দেবব্রত দাশ দেবু, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. তিমির বরণ চৌধুরী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাজেদা বেগম শিরু, আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আইয়ুব বাবুল, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল খালেক, পৌরসভা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলমগীর আলম, সাধারণ সম্পাাদক এমএনএ নাছির, কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের আহব্বায়ক হাসান উল্লাহ, কাউন্সিলর প্রার্থী সরওয়ার কামাল রাজিব।