কক্সবাজারে ৫০ কোটি টাকার ইয়াবাসহ আটক -২

আজ মঙ্গলবার(৯ জানুুুায়ারি)কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী নদী ঘাট দিয়ে পাচারকালে কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মরণ নেশা ইয়াবা ট্যাবলেট ভর্তি ৭ টি বস্তা উদ্ধার করেছ।ঐসময় পাচারে জড়িত দুই কারবারি ও পাচার কাজে ব্যবহৃত মাছ ধরার একটি বোটও জব্দ করে। আজ দুপুর ২ টার দিকে চৌফলদন্ডী নদীর ঘাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

সূত্রে জানায়,আটককৃত দুই কারবারি হল মোঃ জহুরুল ইসলাম প্রকাশ ফারুক(৩৭),পিতা-মোঃ নজরুল ইসলাম,মাতা-সুলতানা রাজিয়া বেগম,সাং-উত্তর নুনিয়া ছড়া,কক্সবাজার পৌরসভা এবং অপরজন মোঃ বাবু (৫৫),পিতা-মোজাফফর, সাং- উত্তর নুনিয়ার ছড়া,কক্সবাজার পৌরসভা।

মাদক চালান জব্দের সংবাদ পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান। ,উক্ত নদী পথ দিয়ে বড় একটা ইয়াবা চালান পাচার হচ্ছে সোর্সের মাধ্যমে সংবাদ পায় জেলা ডিবি পুলিশ।এরপর থেকেই তারা ও-ই নদী পথে ও আশপাশের এলাকায় ছদ্মবেশে বিচরণ শুরু করে। এক পর্যায়ে তারা উপকূলীয় ইউনিয়ন চৌফলদন্ডী এলাকার সন্দেহভাজন এক মাদক কারবারির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতে থাকে।এক সময় তারা নিশ্চিত হয় জব্দকৃত মাছ ধরার বোটটি ইয়াবা বহনে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ বিশাল চালানটি বোটটিতে থাকতে পারে নিশ্চিত হয়ে একাধিক দলে ভাগ হয়ে অভিযানে নামে। অভিযান টের পেয়ে এক মাদক কারবারি নদীতে ঝাপ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানান,ডিবি পুলিশের সদস্যরাও পানিতে ঝাপ দিয়ে ওই মাদক কারবারিকে আটক করতে সক্ষম হয়।অপরজনকে বোট থেকেই আটক করা হয়। ইয়াবা ভর্তি ৭ টি বস্তার মধ্যে থাকা প্যাকেট গুলো থেকে একটি প্যাকেট খুলে গণনা করে দেখা যায়, প্রতি প্যাকেট ১০ হাজার ইয়াবা রয়েছে। এই মতে ৭ টি বস্তায় থাকা সব প্যাকেটে ১৪ লক্ষাধিক পিচ মরণ নেশা ইয়াবা ট্যাবলেট থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে ।
যার অনুমানিক মুল্য ৫০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। পুলিশ সুপার আরো বলেন,মাদক তথা ইয়াবা পাচারকারী বা বহনকারী নয়,এত বড় চালানের পেছনে প্রকৃত ইয়াবা গডফাদার কে, বা কারা এর মূল রহস্য উদঘাটনে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে মুহুর্তেই আশপাশের এলাকার হাজারো জনতা এ অভিযান দেখতে ঘটনাস্থলে ভিড় করতে শুরু করে। ইয়াবার সঠিক পরিমাণ নির্ণয়ে ঘটনাস্থলে গণনা চলছিল।