ব্রেকিং নিউজ » চট্টগ্রামে টিকাদান কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড়

রাজধানীর পাশাপাশি ৭ তারিখ রোববার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে করোনার টিকাদান শুরু হয়েছে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে। টিকা দেয়ার আজ ৪র্থদিনে চট্টগ্রামে। প্রথমদিন টিকা নিয়েছেন উধ্বর্তন কর্মকর্তাসহ সাধারণ মানুষসারা ।একটু হলেও আশার আলো দেখছে মানুষ দেশ জুড়ে করোনার টিকা দেয়া শুরু হওয়ায় করোনা থেকে মুক্তির ।এ সবই এতো সহজে সম্ভব হয়েছে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতার জন্যে। ওনার প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা। জানান টিকা দিতে আসা সাধারণ মানুষসারা।
আজ প্রচণ্ড ভিড় দেখতে পেলাম জেনারেল হাসপাতাল কেন্দ্রে। বয়স ৪০ বৎসর করার কারণে টিকা দিতে পারলাম 😊 😀। সামান্য ঝামেলা হলেও বিরাট কাজ শেষ করলাম খুশি মনে। শঙ্কা নেই। উৎসাহ নিয়েই টিকা দিলাম বলে জানান বিশিষ্ট লেখক ও সংগঠক রোকসানা বন্যা। । বিশিষ্ট কবি সাংবাদিক জানান প্রথম ও ২য় দিনের মতো ৩য় দিনেও উৎসাহ-উদ্দীপনায় করোনার টিকা নিতে দেখা যায় সম্মুখ সারির যোদ্ধাদের। টিকা গ্রহণকালীন কারো মাঝে কোনো ধরনের ভয়-শঙ্কা চোখে পড়েনি। বরং টিকাদান কেন্দ্রে বরং আজ বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারি উপচে পড়া ভিড় চোখে পড়েছে। আজ বুধবার থেকে দৈনিক ১ হাজার জনকে টিকাদানের টার্গেট রাখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
মহানগরের ১১টি কেন্দ্রে গতকাল সব মিলিয়ে ৩ হাজার ৩২ জনকে টিকা দেয়া হয়েছে। এদিকে, রোববার উদ্বোধনের পর ৩ দিনে টিকাগ্রহণকারী কারো শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কোনো খবর এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী। বলেন এর মধ্যে ২ হাজার ৩০৫ জন পুরুষ এবং ৭২৭ জন মহিলা। মহানগরে গতকাল নতুন করে আরো দুটি কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম চালু হয়েছে। কেন্দ্র দুটি হলো চট্টগ্রাম পুলিশ হাসপাতাল ও সিটি কর্পোরেশন ছাপা মোতালেব মাতৃসদন হাসপাতাল। গত সোমবার চসিক জেনারেল হাসপাতাল, চসিক মোস্তফা হাকিম মাতৃসদন হাসপাতাল ও চসিক বন্দরটিলা মাতৃসদন হাসপাতাল কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম চালু করা হয়। এ নিয়ে মহানগরে ১১টি কেন্দ্রে করোনার টিকাদান কার্যক্রম চালু হয়েছে।
চট্টগ্রাম মহানগর ও উপজেলাগুলোয় তৃতীয় দিনে করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন ৬ হাজার ৫৯ জন। মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি এ তথ্য জাানান। চট্টগ্রাম জেলার জন্য এখন পর্যন্ত চার লাখ ৫৬ হাজার ডোজ টিকা এসেছে। এর মধ্যে এক লাখ ৫৪ হাজার টিকা নগরের বাসিন্দারা পাবেন। বাকি টিকা ১৪টি উপজেলায় পাঠানো হয়েছে।আর চমেক হাসপাতাল, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও চসিক জেনারেল হাসপাতালসহ অন্যান্য কেন্দ্রে অগ্রাধিকার তালিকাভুক্তদের মধ্যে অনলাইনে নিবন্ধিত যে কেউ টিকা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।
এ তথ্য নিশ্চিত করে পরবর্তীতে আরো কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম চালু করা হবে বলে জানান ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী। প্রসঙ্গত, করোনার টিকাদানে মহানগরে ১৫টি কেন্দ্র নির্ধারণ করেছে চসিক করোনা ভ্যাকসিন কমিটি। এসব কেন্দ্রে ৬৫টি টিম টিকাদানে নিয়োজিত থাকবে।

টিকা দেওয়ার পর টিকা গ্রহণকারী ব্যক্তিকে টিকাদান পরবর্তী কক্ষে (পোস্ট ভ্যাকসিনেশন রুম) নেওয়া হয়। সেখানে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত টিকা গ্রহণকারী ব্যক্তিকে পর্যবেক্ষণ করা হয়।