ডক্টর শাচা ব্লুমেন, ফার্স্ট সেক্রেটারী, অস্ট্রেলিয়া হাইকমিশন, বাংলাদেশ কর্তৃক ইপসা সিভিক প্রকল্প কার্যক্রম পরিদর্শন

স্থায়ীত্বশীল উন্নয়নের জন্য সংঘটন “ইপসা“ কর্তৃক বাস্তবায়িত গ্লোবাল কমিউনিটি এনগেইজমেন্ট এন্ড রিজিলিয়েন্স ফান্ড-এঈঊজঋ এর আর্থিক সহায়তায় ‘‘জনগণের সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধ” শীর্ষক প্রকল্পের উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধে স্থানীয় যুব ক্লাব (নারী) সদস্যদের ০২-০৩মার্চ‘২০২১ ইং ০২দিন ব্যাপী জীবন দক্ষতা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন- ডক্টর শাচা ব্লুমেন,

ফার্স্ট সেক্রেটারী, অস্ট্রেলিয়া হাইকমিশন, বাংলাদেশ। পরিদর্শন শেষে ইপসা কক্সবাজার অফিসে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। ঐ সময় পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনের মাধ্যমে ইপসা সিভিক কনসোর্টিয়ামের সিভিক প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপন করা হয়। বর্তমান সময়ে মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়িত উল্লেখিত কার্যক্রমে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন ও ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বলেন- জনগণের সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে যে কোন দেশে উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধ এবং শান্তি বজায় রাখা সম্ভব। উল্লেখিত কার্যক্রম বাংলাদেশে সুন্দরভাবে চলমান এবং বিশ্বে বাংলাদেশ সরকারের ভ‚মিকা রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপিত। কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- মো: শাহজাহান, উপ-পরিচালক, ইপসা এবং খালেদা বেগম, টিম লিডার, ইপসা-সিভিক প্রকল্প এবং আঞ্চলিক প্রধান, কক্সবাজার; নাজমুল বরাত রনি, প্রকল্প সম্বয়কারী (ট্রেনিং ও ক্যাম্পেইন); বনরত্ন তঞ্চজ্ঞা, প্রকল্প সমন্বয়কারী (মনিটরিং ও মূল্যায়ন) সহ প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ এবং খুরুশকুল সুখের ঠিকানা মহিলা উন্নয়ন সমবায় সমিতি লি: এর সভাপতি রুবি রুদ্র ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২০জন সক্রিয় সদস্য।


উগ্রবাদ ও সহিংসতা একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এটি প্রতিরোধে সকলের যৌথ উদ্যোগ ও অংশগ্রহন প্রয়োজন। বাংলাদেশের মানুষ বরাবরই শান্তিপ্রিয়। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সমাজে অশান্তি, সহিংসতা আমাদের কারোই প্রত্যাশিত নয়। তবুও মাঝে মাঝে কিছু সুযোগসন্ধানী, স্বার্থান্বেষী মানুষ সামাজিক শান্তি, স¤প্রীতি নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়। আর বারে বারে শান্তিপ্রিয় মানুষেরা এই সব অপচেষ্টা কৃতিত্বের সাথে রুখে দিয়েছে। দল-মত, শ্রেণী-পেশার উর্ধে উঠে বাংলাদেশের মানুষ সহিংসতা প্রতিরোধ করেছে, সমাজে শান্তির বাতাবরণ বিনষ্ট হতে দেননি। বাংলাদেশের মানুষ ঐহিত্যগত ভাবে সামাজিক স¤প্রীতির মূল্যবোধ ধারণ করে যা বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের বড় ভিত্তি আর এটি বজায় রাখার জন্য যুবরা খুব বেশী অবদান রাখতে পারবে। এ দেশের মানুষ বরাবরই শান্তির সপক্ষে। এ উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধে সামাজিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা অতীব জরুরী এবং সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধ করা সম্ভব।