বিশ্ব-মানবের অনুপ্রেরণায় ৭ মার্চের ভাষণ-ফকির ইলিয়াস : সাহিত্যিক ও কলাম লেখক

বিশ্ব-মানবের অনুপ্রেরণায় ৭ মার্চের ভাষণ
বিশ্বে গণমানুষের মুক্তির প্রয়োজনে যে ভাষণগুলো উজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে- এর মাঝে বাঙালির জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ উল্লেখযোগ্য। বিভিন্ন আকরগ্রন্থে স্থান পেয়েছে এই ঐতিহাসিক ভাষণটি। ১৯৭১ সালে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ বলার মধ্য দিয়েই কার্যত বাঙালি জাতির, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ডাক দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। স্বাধীনতার সংগ্রামের প্রেরণাদায়ী ওই ভাষণ এখনো আলোচিত, এ নিয়ে লেখা হয়েছে কবিতা-প্রবন্ধ, গল্প, উপন্যাস। বঙ্গবন্ধুর ওই ভাষণকে বিশ্বসেরা অন্যতম ভাষণ বলে অনেকে মনে করেন।
বিশ্বসেরা ভাষণ নিয়ে যুক্তরাজ্যের একটি প্রকাশনায় ভাষণটি স্থান পেয়েছে। ইংরেজিতে অনূদিত ভাষণের বইটির নাম ‘উই শ্যাল ফাইট অন দ্য বিচেস’- দ্য স্পিচেস দ্যাট ইন্সপায়ার্ড হিস্টরি। বইটির সংকলক- জ্যাকব এফ ফিল্ড। খ্রিস্টপূর্ব ৪৩১ সাল থেকে ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সেরা ভাষণ নিয়ে ২২৩ পৃষ্ঠার বই এটি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার উইনস্টন চার্চিলের ভাষণ থেকে নেওয়া শিরোনামের এই সংকলন গ্রন্থের শেষ ভাষণটি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগ্যানের ‘টিয়ারস ডাউন ওয়াল’। বইটির ২০১ পৃষ্ঠায় ‘দ্য স্ট্রাগল দিস টাইম ইজ ট্য স্ট্রাগল ফর ইন্ডিপেন্ডেন্স’ শিরোনামে স্থান পেয়েছে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ।

ইংল্যান্ড থেকে সংকলনটি প্রকাশিত হয় ২০১৩ সালে। আমরা জানি, বিশ্ব সভ্যতা, বিশ্ব সমাজ ও রাজনীতির দ্বার আজ অবারিত। প্রজন্ম সেই দরজায় নাড়া দেবেই। কোনো সত্যই চেপে রাখা যাবে না। যে ভাষণটি গোটা বাঙালি জাতিকে মুক্তিপাগল করে তুলেছিল- তার ঐতিহাসিক স্বীকৃতি সেই ধারাটি আবারো প্রমাণ করছে।

এটা খুবই আশার কথা, শেখ মুজিব প্রতিদিন পঠিত হচ্ছেন বাঙালি প্রজন্ম দ্বারা। অতিসম্প্রতি ইউটিউবে শেখ মুজিবের সাতই মার্চের ভাষণটি শুনছিলাম। দেখলাম, সেখানে নামে-বেনামে বেশ কিছু হানাদার দোসর নানা রকম কটাক্ষ বাক্য লিখেছে মন্তব্য কলামে। বাঙালি প্রজন্মের শাণিত চেতনাধারী কেউ কেউ এসব হায়েনা পাকিস্তানি রাজাকারদের সঙ্গে তর্কেও লিপ্ত হয়েছেন। তা থেকে একটা বিষয় স্পষ্ট বোঝা গেল, জীবিত মুজিবের চেয়ে শহীদ মুজিবের বাণী তাদের আরও বেশি গাত্রদাহের কারণ। কেন? প্রশ্নটির জবাব খোঁজা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ মনে করি।

যারা শেখ মুজিবকে সপরিবারে খুন করেছিল, তারা মনে করেছিল, এটা করলেই তার নাম ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবে। কিন্তু গিয়েছে কি? প্রজন্ম, ইতিহাস, স্বদেশ, স্বকাল কি কোনো খুনি চক্রকে ক্ষমা করে? ক্ষমা করতে পারে? না- পারে না। আর পারে না বলেই এখনো নাৎসিদের সমাধিস্থলের দিকে তাকিয়ে থু থু ছোঁড়ে হাজার হাজার প্রজন্মের সন্তান। শেখ মুজিব সেই শক্তি আর সাহস দিয়ে এই প্রত্যয়ী প্রজন্মকে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বাংলার মজুর, বাংলার কৃষক, বাংলার অধ্যাপক, বাংলার বুদ্ধিজীবী তাদের মেধা এই বাংলার মাটির কল্যাণেই ব্যয় করবে।

তিনি জন্মেছিলেন একটি স্বপ্ন নিয়ে। জন্মেই দেখেছেন, শোষণ-নিপীড়ন-নির্যাতন। দেখেছেন বাঙালি জাতিকে শিকল পরিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি এর প্রতিবাদী হতে চেয়েছিলেন। তাই রাজনীতি করতে চেয়েছিলেন। পৌঁছেছিলেন- তার লক্ষ্যবিন্দুতে।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সেই শাণিত আঙুলটি একটি বাণী জানাতে চেয়েছিল গোটা বিশ্ববাসীকে। আর তা হচ্ছে- বাঙালি জাতি বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চায়। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের সত্তা নিয়ে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির নাগরিক হতে চায় বাঙালিরা। এটাই ছিল তার অপরাধ। শেখ মুজিবের বিশিষ্টতা ছিল এই, তার অগ্রজপ্রতিম অথবা তার সমসাময়িক আরও বেশ ক’জন রাজনৈতিক নেতা বর্তমান থাকার পরও তারা কেউ ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ চেতনা বাণীটুকু জাতিকে শোনাতে পারেননি। ‘স্বাধীন বাংলাদেশ চাই’- এই দৃঢ়তা পোষণ করতে পারেননি।

কোনো কোনো অপপ্রচারক বলে থাকেন, শেখ মুজিব নাকি নিজের প্রাণ বাঁচাতেই পাকিস্তানি হানাদারদের হাতে ধরা দিয়ে পাকিস্তানে চলে গিয়েছিলেন গ্রেফতার হয়ে। আমি তাদের অবগতির জন্য বলি- সেদিন, সে সময়ে বিদেশের বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদগুলো আপনারা আর্কাইভে গিয়ে একটু খুঁজে দেখুন। শেখ মুজিব মহানায়কের মতোই নিজ মাতৃভূমির মাটি পায়ে চেপে রেখেছিলেন। তিনি গ্রেফতার হবেন তা জেনেও আত্মগোপন করেননি। এটাও জানতেন হানাদার বাহিনীর বুলেট তার বুক ঝাঁঝরা করে দিতে পারে যেকোনো সময়। তারপরও তিনি তার পদযুগল সামান্য বিচ্ছিন্ন করেননি বাংলার মাটি থেকে। সত্য উচ্চারণে কুণ্ঠিত হননি।

শেখ মুজিবের রাজনীতি কোনো তাঁবেদারিত্বের ধার ধারত না। তিনি তাই খুব সাহস নিয়েই বলেছিলেন ‘আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি’ কিংবা ‘যার যা কিছু আছে’। তার সেই কথাগুলো আজও খুবই প্রাসঙ্গিক। বঙ্গবন্ধু জানতেন, তাকে হুকুম দেওয়ার সময় নাও দেওয়া হতে পারে। কিন্তু তাই বলে স্বাধীনতার সংগ্রাম থেমে থাকবে না। থাকার নয়। দেশ গঠনে যার যা কিছু আছে তারই দরকার হয়। যে যে সেক্টরে থাকেন, তিনি যদি সেই সেক্টর থেকে এগিয়ে আসেন তবেই মানুষ, রাষ্ট্র, সমাজ এগিয়ে যাবে তার অভীষ্ট লক্ষ্যবিন্দুতে। শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন আগামী প্রজন্মের জন্য স্বপ্নের ধ্রুবতারা নির্মাণের স্থপতি। তার উদারতার মহাকাশকে অনেকে ব্যবহার করেছে অন্যায্যভাবে। এসব ইতিহাস আজকের সমাজ নির্মাণকারী প্রজন্মকে জানতে হবে।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরুর ঠিক পূর্ববর্তী সময়ে একটি গোপন ছক এঁকে রেখেছিলেন শেখ মুজিব। তিনি নিজে বন্দি হয়ে গেলে নেতারা ভারতে কোথায় যাবেন, কার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন, কীভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হবে তার পুরো নকশাই ছিল তার নখদর্পণে। বর্তমানে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা তাদের সেসব কথা এখন বলছেনও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে। এসব কিছুরই প্রধান শক্তি ছিল শেখ মুজিবের বিচক্ষণ নেতৃত্ব। এমনকি মুক্তিযুদ্ধ যখন চলছিল, তখন বন্দি মুজিবও ছিলেন ইয়াহিয়া-ভুট্টো-টিক্কাদের আতঙ্ক। স্বাধীন বাংলাদেশের অবকাঠামো পুনর্গঠনে শেখ মুজিবকে কাজ করতে হয়েছিল ঘরে-বাইরে। দেশ গঠনে আন্তর্জাতিক সমর্থন সংগ্রহে তাকে কম বেগ পেতে হয়নি; কিন্তু সেসব দুরূহ কাজ তিনি সাধন করতে পেরেছিলেন গণমানুষের ভালোবাসার কারণেই। তিনি বিশ্বের ঘরে ঘরে পৌঁছাতে চেয়েছিলেন বাঙালির পরিচয়।
বঙ্গবন্ধু কেমন বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন? তার কিছু পরিকল্পনা সে সময়ই প্রণয়ন করেছিল তার দল, তার মন্ত্রিপরিষদ। নয় মাসে ধ্বংসস্তূপে পরিণত বাংলাদেশকে তুলে দাঁড় করানো সে সময় কোনো মতেই সহজসাধ্য ছিল না। তার ওপর রয়েছিল বিশ্বের বিভিন্ন শক্তিশালী দেশের সমর্থনের অভাব। এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শিতা এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞার কারণেই ভারত বাংলাদেশের মাটি থেকে দ্রুত সরিয়ে নেয় মিত্রবাহিনী এবং তা সম্ভব হয়েছিল ইন্দিরা-মুজিব পারস্পরিক গভীর শ্রদ্ধাবোধের কারণেই। মার্কিন কবি অ্যালেন গিনসবার্গ তার জীবদ্দশায় একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, যদি সে সময় ইন্দিরা গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রী না থাকতেন, তবে ভারত এতটা সমর্থন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে দিত কিনা তা নিয়ে আমার সন্দেহ হয়। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’ অমর কবিতার জনক কবি অ্যালেন গিনসবার্গের মতে, ইন্দিরা গান্ধীর মতো একজন জননন্দিত নেত্রীর সাহসী সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধকে ত্বরান্বিত করেছিল। আর এর নেপথ্যের কারণ ছিল ইন্দিরা-মুজিবের রাজনৈতিক মনন। সেই ‘ইন্দিরা-মুজিব’ চুক্তির আলো ধরেই বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়েছে ২০১৫ সালে। যা আর কারও দ্বারাই সম্ভব ছিল না।

আমরা দেখি জাতির জনকের অনেক নীতির সস্তা সমালোচক এখনো গলা ঝেড়ে রাজপথ গরম করেন। তাদের সঠিক ইতিহাস চর্চার বিনীত অনুরোধ জানাই। কিছু চিহ্নিত রাজাকার বাদে, যারা শেখ মুজিবের সমালোচনার নামে মিথ্যার বেসাতি ছড়াতে চান তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য কি তা দেখা উচিত। মুজিব নিয়ে সব তর্কের শেষ সমাধান যদি হয়- ‘আমরা পাকিস্তান আমলেই ভালো ছিলাম’ তাহলে তো বুঝতে অসুবিধা হয় না তারা এখনো মননে পাকি বীজ বহন করছেন। তাদের সঙ্গে তর্ক করার তো কোনো মানেই হতে পারে না। এদের কেউ কেউ তো বলেই বেড়াচ্ছে, একাত্তরে কে কী করেছিলÑ তা ভুলে যান! কী মারাত্মক কথা!

ইউনেস্কোর একটি উপদেষ্টা কমিটি ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে দেওয়া বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণটিকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামান্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এ ধরনের দলিলগুলো যে ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে’ অন্তর্ভুক্ত করা হয় সে তালিকায় এ ভাষণটিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেই ভাষণটির আবেদন কি বাঙালি জাতিসত্তার জীবনে আজ ফুরিয়ে গেছে? না, যায়নি। সেদিনের ১৮ মিনিটের ভাষণে শেখ মুজিব বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম, মুক্তির সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম’। ওই ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোলো। তোমাদের যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকো’। সেই প্রস্তুতি নিয়েই তো বাংলাদেশ এগিয়ে গিয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ অনেক ভাষায় অনুবাদ হয়েছে। গবেষণা হয়েছে। পাঠ্যপুস্তকেও ঠাঁই পেয়েছে। গবেষকরা বলছেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর সর্বজনীনতা এবং মানবিকতা। যেকোনো নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর জন্য এই ভাষণ সব সময়ই আবেদন সৃষ্টিকারী। এই ভাষণে গণতন্ত্র, আত্মনিয়ন্ত্রণ, স্বাধিকার, মানবতা এবং সব মানুষের কথা বলা হয়েছে। ফলে এই ভাষণ দেশ-কালের গণ্ডি ছাড়িয়ে সর্বজনীন হয়েছে। আর একজন মানুষ একটি অলিখিত বক্তৃতা দিয়েছেন, যেখানে স্বল্প সময়ে কোনো পুনরুক্তি ছাড়াই একটি জাতির স্বপ্ন, সংগ্রাম আর ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বিশ্বাসের জায়গা থেকে কথা বলেছেন। সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ভাষায় কথা বলেছেন। সবচেয়ে বড় কথা, বঙ্গবন্ধু সাধারণ মানুষের চাওয়া-পাওয়া বুঝতে পেরেছেন। তারা যা চেয়েছেন, বঙ্গবন্ধু তা-ই তাদের কাছে তুলে ধরেছেন। ফলে ভাষণটি একটি জাতির প্রত্যাশার আয়নায় পরিণত হয়। এই ভাষণই একটি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেছে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেও এই ভাষণ প্রেরণা জুগিয়েছে। আর এতবছর পরও মানুষ তার ভাষণ তন্ময় হয়ে শোনেন।

বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে বলেছেন, ‘‘আমরা সংখ্যায় মেজরিটি, কিন্তু একজন মানুষও যদি ন্যায্য কথা বলে আমরা তা মেনে নেব।’ এরচেয়ে আর বড় কোনো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ হতে পারে না। তিনি বলেছেন, এই বাংলায় হিন্দু বা মুসলমান, বাঙালি বা অবাঙালি সকলেই এ দেশের সন্তান, তাদের জানমালের নিরাপত্তার দায়িত্ব হলো জনগণের। তিনি পার্টির নেতাকর্মীদের বলেছেন আমাদের যেন বদনাম না হয়।
আজকের বাংলাদেশও যেন সেই বদনামের ভাগী না হয়। এই দেশ যেন সেই মহান নেতার বাণীগুলো মনে রেখেই এগোতে পারে। তবেই সার্থক হবে সাতই মার্চের ওই উজ্জ্বল চেতনা।

নিউইয়র্ক/ ০৬ মার্চ, ২০২১
ফকির ইলিয়াস : সাহিত্যিক ও কলাম লেখক