সৈকতে পর্যটকের ঢল, সংক্রমণের আতঙ্কে স্থানীয়রা

ছুটির দিনে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বিপুল সংখ্যক পর্যটকের ঢল নেমেছে। দেশে সম্প্রতি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রকোপ বেড়ে গেলেও স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন বলাই নেই, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সৈকতে আসা পর্যটকদের। কেউই মানছেন না সামাজিক দূরত্ব। আর স্বাস্থ্যবিধি না মানার ব্যাপারে একেকজনের একেক রকম অজুহাত। এই মানুষদের যেমন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোন প্রবণতা নেই। একই চিত্র সৈকতের সব পয়েন্টেই। যেখানে ভিড় করেছে বিপুল পর্যটক। সৈকতের প্রবেশদ্বার গুলোতে মাস্ক পরা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সচেতনতামূলক বিল-বোর্ড ও ব্যানার টাঙ্গানো থাকলেও পর্যটকদের কেউ তা মানছেন না। আবার স্বাস্থ্যবিধি নজরদারি করার মতো নেই কোন ব্যবস্থা।
হোটেল মোটেল চালু হওয়ার আগেই পর্যটকদের এমন ভিড় দেখে স্থানীয়রা আতঙ্কে আছেন যেকোনো মুহূর্তে ভাইরাসের হটস্পটে পরিণত হতে পারে তাদের আবাসস্থল।

পর্যটকদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে মাইকিংসহ সচেতনতামূলক নানা প্রচারণা চালানো হচ্ছে প্রশাসন বলেন, ‘সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা বলা হচ্ছে কিন্তু কেউ কেউ বলে যে মাস্কের কারণে তাদের সমস্যা হয়। এছাড়াও একেকজন বিভিন্ন সমস্যা দেখায়। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি যেন সবাই মাস্ক পরে। একই সাথে পরামর্শও দেয়ার চেষ্টা করছি।’

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছেন লক্ষাধিক পর্যটক। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ছাড়াও ইনানী সৈকত, হিমছড়ির ঝর্ণা, সেন্টমার্টিন, রামুর বৌদ্ধ মন্দিরসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রেও অসংখ্য পর্যটকের ভিড়। এর পাশাপাশি ৩ দিনব্যাপী হিন্দু সম্প্রদায়ের শিব চতুর্দশী মেলা উপলক্ষে মহেশখালী আদিনাথ মন্দিরে পূণ্যার্থীসহ রয়েছে বিপুল পর্যটকের ঢল।