বর্ণচোরা মুক্তিযোদ্ধারাও সাম্প্রদায়িক শত্রুদের চেয়ে কম শত্রু নয়’:সেতুমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান,সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এবং বর্ণচোরা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিহত করে তাদের চূড়ান্তভাবে পরাজিত করাই আজকের দিনের শপথ।আজ শুক্রবার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বর্ণচোরা মুক্তিযোদ্ধারাও সাম্প্রদায়িক শত্রুদের চেয়ে কম শত্রু নয়। এরা বরং আরও বেশি ক্ষতি করছে। এদের সবাই চিহ্নিত করতে হবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এদের প্রতিহত ও প্রতিরোধ করব, এটা আজকের শপথ।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার যে ঘোষণা, তা আসলে অন্য কারও দেয়ার অধিকার ছিল না। এই ঘোষণা দেয়ার ম্যান্ডেট শুধু বঙ্গবন্ধুই পেয়েছিলেন। অন্য কারও বৈধ অধিকার ছিল না ঘোষণা দেয়ার। কাজেই ঘোষণা দেয়ার পাঠক অনেকেই থাকতে পারে, কিন্তু ঘোষক একজনই।’

তিনি বলেন, ‘জনগণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সংখ্যা গরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে সেদিন তিনি ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত হয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। অন্যর কারও বৈধ অধিকার ছিল না ঘোষণা দেয়ার। কাজেই ঘোষণা দেয়ার পাঠক অনেকেই থাকতে পারে, কিন্তু ঘোষক একজনই। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা করেছেন, তাঁর নেতৃত্বে বাঙালি যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল এবং ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করেছিল।’

পরে সকালে ঐতিহাসিক ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের সামনে রক্ষিত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এ সময়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, ড. আব্দুর রাজ্জাক, এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি ও আ ফ ম বাহা উদ্দিন নাছিম, সংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, এডভোকেট আফজাল হোসেন ও এস এম কামাল হোসেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক আসীম কুমার উকিল, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।