সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নামছে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে কিউইদের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে টি-টোয়েন্টিতে ভালো করতে চায় বাংলাদেশ। ব্যাটিং আর ফিল্ডিংয়ে প্রত্যাশামাফিক পারফরমেন্স করতে মুখিয়ে আছে দল, এমনটাই জানিয়েছেন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। হ্যামিল্টনের সেডন পার্কে ম্যাচটি মাঠে গড়াবে আগামীকাল রোববার সকাল ৭টায়।ব্যাটসম্যানদের অসহায় আত্মসমর্পণ, ক্যাচ মিস আর ফিল্ডিংয়ে শনির দশা, আর শেষ ম্যাচে মুস্তাফিজ-রুবেলদের খরুচে বোলিং; সব মিলিয়ে যাচ্ছেতাই পারফরমেন্সে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে আবারও হোয়াইটওয়াশের লজ্জা পেয়ে শেষ হয়েছে ওয়ানডে সিরিজ।

সাদা বলের সাবলীল ফরম্যাটে বাজে ফলাফলের পর আরও বড় পরীক্ষার মুখে লাল-সবুজের ক্রিকেটাররা। ধুম-ধারাক্কার টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এমনিতেই সমীহ আদায় করতে পারেনি বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পরিসংখ্যানে চোখ রাখলেও, আত্মবিশ্বাস কুড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। শর্টার ভার্সনে কিউইদের বিপক্ষে খেলা ৭ ম্যাচের সবই হেরেছে টাইগাররা। র‌্যাংকিংয়েও কিউইদের চেয়ে ৩ ধাপ পিছিয়ে ৮ নম্বরে বাংলাদেশ। তবে এটাও সত্য। ২০ ওভারের খেলায় খাতা কলমের হিসাব-নিকাশ দিয়ে ফলাফল অনুমান করা দায়।
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বলেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে বড়-ছোট দল বলে কিছু নেই। র‍্যাংকিংয়ের এক নম্বর দল হোক বা দশ নম্বর, নির্দিষ্ট দিনে যদি কোনো দল ভালো খেলে, দু-একজন ব্যাটসম্যান ভালো করলে, বোলিং-ফিল্ডিং ভালো করতে পারলে যে কোনো দলকে হারাতে পারব-এটা আমাদের বিশ্বাস।’
ওয়ানডে সিরিজে প্রথম ম্যাচের ভুল শুধরে দ্বিতীয় ম্যাচে কিছুটা সম্ভাবনা জাগিয়েছিল তামিমের দল। তবে শেষ ম্যাচে আবারও ভুলে গেছে শেখা মন্ত্র। ভুললে চলবে না, টি-টোয়েন্টিতে ইতিবাচক ফলাফল পেতে হলে কাজে লাগাতে হবে হার থেকে পাওয়া শিক্ষা। তিন বিভাগে টাইগারদের যে সামর্থ্য আছে; মাঠে তার প্রয়োগটাও হতে হবে যথার্থ।
হ্যামিল্টনের এই সেডন পার্কেই ২০১০ সালে প্রথমবার কিউইদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি খেলে ১০ উইকেটে হেরেছিল বাংলাদেশ। ১১ বছর পর একটা জয় দিয়ে সেই ক্ষতটাতে প্রলেপ দিতে পারবে কি না বাংলাদেশ, তাই দেখার অপেক্ষায় ভক্তরা।