করোনায় কঠোর লকডাউনে বদলে যাওয়া জীবনযাত্রার প্রভাব পড়েছে ইফতারি বাজারেও।

করোনায় কঠোর লকডাউনে বদলে যাওয়া জীবনযাত্রার প্রভাব পড়েছে ইফতারি বাজারেও। করোনার আগে রমজান মাসে দুপুরের পর থেকে ঐতিহ্যবাহী বাহারি সব ইফতারির পসরা সাজিয়ে বসতেন ব্যবসায়ীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নগরের নামিদামি দোকানীতে এলাকার বাসিন্দারাসহ নগরের নানা প্রান্তের মানুষ ইফতারসামগ্রী কেনার জন্য সেখানে ভিড় করতেন।

রমজান মাসজুড়ে মানুষের পদচারণায় মুখর গতকালের মতো আজ দেখা গেল ফাঁকা। সড়কে মানুষজন তেমন নেই কোনো কোনো দোকানে ইফতারসামগ্রী বিক্রি করতে দেখা যায়। হাতে গোনা কিছু মানুষ অন্য সময় ভিড়ে হাটা যেতনা। আগে হরেক পদের যেসব ইফতারসামগ্রীর দেখা মিলত, এবার দেখা যায়নি। এলাকা পাড়া মহল্লায় মানুষজন তেমন নেই বিক্রি অনেক কম তাই লাভতো দূরের কথা গতদিনের মতো হিসেবের খাতায় ক্ষতির অংকটা বেশী।এভাবে চলতে থাকলে বিশাল ক্ষতিতে পড়তে হবে বলে জানানদোকানিরা। ।তবে চকবাজারের বিখ্যাত শাহি জিলাপি, শাহি পরাটা, সুতি কাবাবের দেখা মেলে।আজও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের আনাগোনা কিছুটা ছিল।। ন্যূনতম স্বাস্থ্যবিধি না মেনে দাঁড়িয়ে গল্প করছিলেন কেউ কেউ। সড়কে মানুষের এমন জটলা দেখে সেখানে চলে আসে পুলিশের পক্ষ থেকে সবাই যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে ইফতারসামগ্রী কেনেন। ইফতারসামগ্রী কেনা হলে সোজা বাড়ি ফিরতে বলেন।।দেশ থেকে করোনার প্রকোপ কমে যাবে। নিশ্চয় আগামী বছর আবার পুরোনো রূপে ফিরে যাবে আবার মানুষের ঢল নামবে। মানুষ ফিরে পাবে তার স্বাভাবিক জীবন।