সর্বাত্মক লকডাউনে ৩য় দিনে চট্টগ্রামে পথে পথে – রিকশা-অটোর চলাচল,

বুধবার ভোর ৬টা থেকে দেশব্যাপী শুরু হয়েছে আটদিনের কঠোর বিধিনিষেধ। লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন সর্বাত্মক লকডাউনের ৩য় দিনে সরকারি বাধিনিষেধ বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে জেলা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।শহর ও শহরতলিতে চলছে পুলিশের টহল। বিভিন্ন স্থানে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট।।চট্টগ্রাম নগরী ও জেলায় অনেকটা গাড়ি শূন্য কিছু মিনি ট্রাকগাড়ি চলাচল করতে দেখা গেছে নগরে ।গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও পথে পথে রাস্তায় রিকশা চলাচল বেড়েছে।কিছু সিএনজিচালিত অটোরিকশাও চলতে দেখা গেছে; বেড়েছে ব্যক্তিগত গাড়িও। মূল সড়কজুড়ে। এবং বিভিন্ন স্পটে লোকজন কম থাকলেও পাড়া মহল্লা ও অলিগলিতে লোকজন ভিড়করছে তল্লাশি চৌকিতে প্রত্যেকটি যানবাহন থামিয়ে মুভমেন্ট পাস আছে কিনা জানতে চাইছেন পুলিশ সদস্যরা। যারা পাস দেখাতে ব্যর্থ হচ্ছেন তাদেরকে জরিমানা করে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।জরুরি সেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছাড়া অন্যদের ‘মুভমেন্ট পাস’ ছাড়া বাসার বাইরে না আসতে মাইকিংও করা হচ্ছে মোড়ে মোড়ে। ।দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা কেউই করছেন না। মোড়ে মোড়ে দেখা যায় মানুষের জটলা। অনেক প্রতিষ্ঠান খোলা দেখা যায় বৌবাজার কোরবাণগঞ্জ ও বলুয়ারদীঘিরপাড়ে সেখানে দূরত্ব বজায় না রেখে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে মুখে মাস্কও দেখা যায়নি কর্মচারিদেষ।জনসাধারণ লকডাউন মানছে কিনা তা তদারকি করা প্রয়োজন।
কাঁচা বাজার ও নিত্য-পণ্যের দোকান খোলা থাকায় অন্যান্য দিনের চেয়ে আজ খুববেশী মানুষ বেরিয়েছে প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করতে। এতে কাঁচা বাজারে দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা কেউই করছেন না। ।জনসাধারণের চলাচল আরও সীমিত করতে লকডাউন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ বাড়ানো দরকার

মাঝে মাঝে পুলিশ টহল দিলেও সাধারণ লোকজনের অহেতুক ঘর থেকে বের হওয়া ঠেকানো যাচ্ছে না। এই লকডাউনে চট্টগ্রাম নগর ও জেলায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও মোড়ে মোড়ে চেক পোষ্ট বসানো রয়েছে। দেখা গেছে বিভিন্ন স্থানে ব্যক্তিগত পরিবহনও।সরেজমিনে দেখা যায়,