বাড়ি যেতে হবে’জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ছুটছে মানুষ

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। মঙ্গলবার (১১ মে) সকাল থেকে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট থেকে ১৫টি ফেরি যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করছে।

এতে ঘাটে যাত্রীদের আনাগোনা অব্যাহত থাকলেও যাত্রীদের আর দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হচ্ছে না, কমেছে ভোগান্তি। এদিকে ।করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দূরপাল্লার যান চলাচলে আছে বিধিনিষেধ। কিন্তু কোনোভাবেই ঈদ উপলক্ষে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই নাড়ির টানে ছুটছে মানুষ। ঘরমুখী মানুষের ঢল থামানো যাচ্ছে না। ঝুঁকি নিয়ে যে যেভাবে পারছে, ছুটছে বাড়ির পথে। ট্রাক-পিকআপ-মাইক্রোবাসে দ্বিগুণ, তিন গুণ ভাড়া দিয়ে ছুটছে মানুষ। নৌপথে ফেরিতে গাদাগাদি করে শহর ছেড়ে গ্রামে যাচ্ছে মানুষ ।জীবন বাজি রেখে পরিবারের সঙ্গে ঈদ করাটা যেন মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। দূরপাল্লার বাস যানবাহন বন্ধ থাকায় ভেঙে ভেঙে বাড়ি পৌঁছাবেন, এ উদ্দেশে বেরিয়েছেন ঘর থেকে। জানােন তোহিদ।।সিমলা জানান , ‘সব ধরনের পরিবহন বন্ধ থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি যেতে হবে। এতে করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হতে পারে। তারপরও উপায় না থাকায় বাড়িতে যেতে হচ্ছে।’ পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে কুষ্টিয়া যাওয়ার উদ্দেশে গাবতলীতে বসে অপেক্ষা করছিলেন। ‘কাজের সাইট বন্ধ, সকলে বাড়ি চলে গেছে। বর্তমানে খাওয়া-দাওয়া-থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। এসব বিষয় বিবেচনা করে কুষ্টিয়ায় বৃদ্ধ মায়ের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছি।’সরজমিন ঘুরে দেখা বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটের ফেরিতে আজ ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ নেই। যাত্রী ও পরিবহনের জন্য অপেক্ষা করছে ফেরিগুলো। দীর্ঘসময় বাংলাবাজার ঘাটে অপেক্ষা করে পরিবহন লোড করে শিমুলিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাচ্ছে।

এই নৌরুটে গত কয়েকদিন ধরে ফেরি বন্ধ থাকায় দুই পাড়ে ছিল হাজার হাজার যাত্রী আর শত শত পণ্যবাহী ট্রাক। তবে সোমবার (১০ মে) বিকেল থেকে সবগুলো ফেরি চলাচল শুরু হওয়ায় মঙ্গলবার (১১ মে) দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র।ফেরি ঘাট ও পন্টুন ছিল একেবারেই যাত্রীশূন্য। অনেক সময় দেখা যাচ্ছে ফেরিগুলো বাংলাবাজার ঘাটে যাত্রী ও পরিবহন নামিয়ে শিমুলিয়ার উদ্দেশে আবার খালি ফিরে যাচ্ছে।