ব্রেকিং নিউজ »তীব্র গরমে জীবন হাঁসফাঁস

তীব্র গরমে অতিষ্ঠ এ নগরী। চলছে তীব্র গরম। তীব্র গরমে হঠাৎ যেন নেতিয়ে পড়েছে পুরো চট্রগ্রামে।। সেই সাথে রোদের তাপ-দাহের কথা না বললেই নয়। সূর্যের প্রখর তাপ আর ভ্যাপসা গরমে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে প্রণীকূল।এতে সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ছে ।এরই মধ্যে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। এই মুহূর্তে সবাই যখন করোনা ভাইরাস নিয়ে উদ্বিগ্ন ঠিক তখনই ফেঁপে উঠেছে প্রকৃতি। বৈশাখের তীব্র খরতাপ বেড়েই চলেছে। এতে হাঁসফাঁস করছে চট্টগ্রামবাসীর জীবন।ফলে জীবিকার তাগিদে করোনার মাঝেও যেসব শ্রমজীবিরা রোদের তেজ উপেক্ষা করে ঘর থেকে রাস্তায় বের হয়েছেন তারাই পড়েছেন সীমাহীন দুর্ভোগে।প্রখর রোদে ঘরে বাইরে কোথাও মিলছে না স্বস্তি প্রচণ্ড আঁচে গা পুড়ে যায় যায় অবস্থা।, মাথার ওপর থেকে সূর্য তখন কিছুটা পশ্চিমাকাশে হেলে পড়েছে। গত কয়েক দিনের টানা দাবদাহে অতিষ্ঠ চট্র্গ্রামবাসীর জনজীবন। গরমের তীব্রতায় ছোটবড় সবার হাঁসফাঁস অবস্থা।সকাল থেকেই গরম হাওয়া। রোদের তেজ বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে গরমের তীব্রতাও। এদিকে বৃষ্টিতে তাপমাত্রা সামান্য কমলেও তারপর থেকেই বিরাজমান তাপপ্রবাহ দেশজুড়ে অব্যাহত রয়েছে। বাসা থেকে বের হওয়ার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই রোদের খরতাপে অসহনীয় অবস্থায় পড়ছেন বের হওয়া মানুষজন। প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না অনেকে।বৈশাখের দাবদাহে চট্র্গ্রামও রাজধানীবাসীসহ দেশজুড়ে বয়ে যাওয়া দাবদাহে হাঁসফাঁস নাগরিক জীবন দিনভর একদণ্ড শান্তি খুঁজেছেন খেটে খাওয়া
মানুষরা। শরবতের গ্লাসে, পানির বোতলে কিংবা শসার টুকরোতে। আবার টংঘরে চা খেতে এসেও অনেকে খুঁজেছেন খাবার স্যালাইন।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় গরমে সহ্য করতে না পেরে ছিন্নমূল মানুষ স্টেশনের ফটকের খালি জায়গায় সিআরবি গাছের ছায়ায় শুয়ে থাকতে দেখা গেছে। শুধু মানুষ বা প্রাণীকুল নয়, গরমের প্রভাব পড়ছে গাছ-গাছালিতেও। কোথাও কোথাও শুকিয়ে গেছে ডোবা পুকুর ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তীব্র দাবদাহ চলছে সারাদেশে। মার্চের শেষের দিক থেকে শুরু দাবদাহ দিনের পর দিন বাড়ছে। ডাব, তরমুজ, বাঙ্গি, শসা ও খিরাসহ পানি জাতীয় ফল ও সবজির দাম বাড়ছে হু-হু করে।
সকাল থেকেই গরম হাওয়া। রোদের তেজ বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে গরমের তীব্রতাও। এদিকে তাপমাত্রা সামান্য কমলেও বিরাজমান তাপপ্রবাহ দেশজুড়ে অব্যাহত রয়েছে।বিস্তারিত আসছে