করোনা আছে, করোনা নাই

করোনা আছে, করোনা নাই
বিপ্লব সেন গুপ্তা প্রতিবেদন » করোনাভাইরাসের সংক্রমণের মাত্রা বাড়তে থাকায় সীমান্তবর্তী জেলাগুলোয় নানা রকম বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। অনেক জেলায় চলছে লকডাউনও। তবে রাস্তাঘাট, বাজার সব জায়গাতেই জনসাধারণের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে উদাসীনতা, অসচেতনতা ছিল চোখে পড়ার মতো। চট্রগ্রাম ঢাকাসহ দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়লেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে এখনো চরম উদাসীন নগরবাসী। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে বারবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন। কিন্তু তা আমলেই নিচ্ছে না অধিকাংশ মানুষ।রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার, মার্কেট, গণপরিবহনে মাস্ক পরিধান না করেই অধিকাংশ মানুষ চলাচল করছে। আবার অনেকে মাস্ক পরছে কিন্তু সঠিকভাবে না। তারা মাস্ক থুতনির নিচে নামিয়ে রাখছে। মাস্ক না পরায় ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা ও সতর্ক করলেও টনক নড়ছে না। মাস্ক পরেননি কেন— প্রশ্ন করতেই লজ্জিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে এক তরুণ ফুল বিক্রেতা ‘আছে তো’ বলেই প্যান্টের পকেট হাতড়ে দুমড়ে-মুচড়ে থাকা মাস্ক বের করে তাড়াতাড়ি মুখে লাগালেন।

মাস্ক খুলে রাখার পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘ বেচাকেনার সময় কাস্টমারের সাথে অনেক কথা বলতে হয়। মুখে মাস্ক লাগিয়ে কথাবার্তা বলা যায় না, কাস্টমারও বোঝে না। তাছাড়া অস্বস্তিও লাগে। এ কারণে খুলে পকেটে রেখেছি।’

আশপাশে তাকিয়ে দেখা যায়, হাতেগোনা কিছুসংখ্যক মানুষ ছাড়া সিংহভাগের মুখে মাস্ক নেই। সামাজিক দূরত্বও মানছে না কেউ।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণের শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় লকডাউন ও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সংক্রমণ বাড়ছে ভয়াবহভাবে দেশের বিভিন্ন জায়গায়। এরপরও মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে উদাসীন। অকারণে ঘরের বাইরে ভিড় করছে মানুষ।