আবর্জনা পরিষ্কারের কোন গাফেলতি বা অজুুহাত মানা হবে না

সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী আসন্ন কোরবানির ঈদে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টার মধ্যে নগরীতে জবাইকৃত পশুর বর্জ্য অপসারণ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, অতীতে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সুনাম রয়েছে। কাজেই এ সুনাম রক্ষা করতে হবে। মেয়র পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের নগরীকে টাইম লাইনের মাধ্যে পরিচ্ছন্ন করতে যত ধরনের সহায়তা লাগে তা দেয়া হবে জানিয়ে বলেন, আবর্জনা পরিষ্কারের কোন গাফেলতি বা অজুুহাত মানা হবে না।
তিনি টাইগারপাস কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরাবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান।
সভার প্রারম্ভে মেয়র পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে তাদের প্রস্তুতি, সাজ সরঞ্জাম পর্যাপ্ত লোকবল ও গাড়ি সংগ্রহে আছে কিনা জানতে চান। সভায় উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোর্শেদুল আলম চৌধুরী কোরবানির বর্জ্য অপসারণে কোন সমস্যা হবে না বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন কারণ করোনার সীমিত বিধি-নিষেধের কারণে সড়কে যান চলাচল কম তাই পরিচ্ছন্ন কাজে কোন সমস্যা হবে না। তবে আবর্জনা পরিষ্কারে আমাদের ১৮৮টি গাড়ি ও ৪০টি ওয়াকিটকি লাগবে। কেন্দ্রীয়ভাবে আবর্জনা পরিষ্কারে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ওয়াকিটকির কোন বিকল্প নেই। তিনি ওয়ার্ড পর্যায়ে কন্টেইনার মোভার ও পর্যাপ্ত টমটম গাড়ি সরবরাহের অনুরোধ জানান। প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে গত বছরের মত যদি পরিচ্ছন্ন বিভাগের চাহিদাপত্র থাকে তাহলে আবর্জনা পরিষ্কারের ক্ষেত্রে গাড়ি সরবরাহে কোন সংকট হবে না।
সভাপতির বক্তব্যে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলম কোন সমস্যা থাকলে তা দ্রুত সমাধান করতে বলেন। তিনি বলেন কোনভাবেই নির্দিষ্ট সময় সীমার বাইরে বর্জ্য অপসারণ করা যাবে না। এ ব্যাপারে পরিচ্ছন্ন, প্রকৌশলসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে।
এ লক্ষ্যে নগরীকে উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম ৪টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। চার জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলরগণ হলেন যথাক্রমে উত্তরে মো. এসারুল হক, দক্ষিণে আবদুল বারেক, পূর্বে শৈবাল দাশ সুমন, পশ্চিমে মো. ইসমাইল। বর্জ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর মো. মোবারক আলী সার্বিক কাজের তত্ত্বাবধানে থাকবেন।
চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলমের সভাপতিত্বে সচিব খালেদ মাহমুদের সঞ্চালনায় এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- প্যানেল মেয়র মো. গিয়াস উদ্দিন, বর্জ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর মো. মোবারক আলী, কাউন্সিলর মো. এসরারুল হক, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট জাহানারা ফেরদৌস, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম, সুদীপ বসাক, ঝুলন কুমার দাশ, নির্বাহী প্রকৌশলী জয়সেন বড়ুয়া, আবু শাহদাত মোহাম্মদ তৈয়ব, বিপ্লব দাশ, মো. রেজাউল বারী ভূঁইয়া, মির্জা ফজলুল কাদের, শাহিনুল ইসলাম, ও নগর পরিকল্পনাবিদ আবদুল্লাহ আল ওমর। বিজ্ঞপ্তি