ব্রেকিং নিউজ »কক্সবাজারে ঝাঁকে ঝাঁকে রূপালী ইলিশ

ব্রেকিং নিউজ »কক্সবাজারে ঝাঁকে ঝাঁকে বড় রূপালী ইলিশ
কক্সবাজার থেকে নাজমূল বরাত রনিঃ কক্সবাজার সাগর উপকূলে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে রূপালী ইলিশ। এতে কক্সবাজারের মৎস্যঘাট গুলোতে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে এখন।ঝাঁকে ঝাঁকে বড় রূপালী ইলিশ জেলেদের মুখে আনন্দের জোয়ার। প্রতিটি ফিশিং ট্রলারে হাজারের মতো বড় ইলিশ বোঝাই করে কূলে ফিরছে। এখন মাছ নিয়ে ফিরে আসা ট্রলার গুলোর হাক ডাক ও বেচাবিক্রিতে সকাল থেকে সরগরম হয়ে উঠে ফিশারি ঘাট নামে পরিচিত অবতরন কেন্দ্রটি। ফিরে আসা ট্রলার গুলো নিয়ে আসছে মন মন ইলিশ। ফিরে আসা জেলেরা জানান, সাগরে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ। আর এই ইলিশ গুলো আকারও বড়। এধরনের বড় ইলিশ খুব দেখা মেলেনা।

৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে মৎস্য শিকারে যাওয়া শত শত ফিশিং ট্রলার ইলিশ বোঝাই করে কূলে ফিরতে শুরু করেছে। শুধু মাত্র কক্সবাজার শহরের নুনিয়াছড়াস্থ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রেই (ফিশারীঘাট)২০ মেট্রিক টন মাছ অবতরণ হয়েছে।গত ৫দিনে এর মধ্যে ইলিশের পরিমান প্রায় ২০০ মেট্রিক টনের মতো। অবতরণ কেন্দ্রে জায়গা না হওয়ায় বাহিরে খোলা আকাশে রাখতে হচ্ছে।

বুধবার, ১১ আগস্ট সকালে সরেজমিনে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে গিয়ে এবং সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। সাগরে যাওয়া অন্য ট্রলারগুলো ফিরতে শুরু করেছে । তখন আরো বেশী ইলিশ নিয়ে ট্রলার গুলো ফিরে আসবে এমনিই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।শুধু ইলিশই নয় এর সাথে ধরা পড়ছে রূপচাঁদা, লইট্যাসহ অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ। সাগরে প্রচুর পরিমান ইলিশ ধরা পড়ায় মৎস্যজীবিদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। আড়ত গুলোতে ফিরে এসেছে কর্মচাঞ্চল্যতা। এসব মাছ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করতে ব্যস্ত সময় পার করছে মৎস্য ব্যবসায়ীরা।ফিশারি ঘাটে কথা হয় ফিশিং ট্রলারের জেলে আবুল কাশেমসহ কয়েকজনের সাথে। তারা বলেন, টানা অনেক দিন মৎস্য শিকার বন্ধ থাকায় অনেক কষ্টে দিন গেছে। তার উপর করোনার দুর্যোগও ছিল। সবমিলিয়ে অনেক দুঃখ-কষ্টে পরিবার পরিজন নিয়ে দিন কাটাতে হয়েছে তাদের। এবার সাগরে প্রচুর পরিমাণ মাছ ধরা পড়ায় হয়তো সেই দুঃখ-কষ্ট ঘুছবে। সামনে ঈদে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খুশিতে কাটাতে পারবো।

কক্সবাজার ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমদ বলেন, ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফিশিং ট্রলারগুলো গত কয়েকদিন ধরে সাগরে মৎস্য শিকারে গেছে। কিছু কিছু ট্রলার ফিরেও এসেছে। সব ট্রলারেই ছিল মাছ ভর্তি। বিশেষ করে ইলিশ মাছ। নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে যে ক্ষতি হয়েছে আশা করি তা পুষিয়ে নিয়ে লাভের মুখ দেখবে ফিশিং ট্রলার মালিকেরা।