ব্রেকিং নিউজ » , বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আতাউর রহমান খান কায়সারের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা

ব্রেকিং নিউজ » আতাউর রহমান খান কায়সারের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা
আজ (০৯ অক্টোবার)শনিবার মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক,বাংলাদেশ সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি জাতীয় কমিটির অন্যতম সদস্য, সাবেক রাষ্ট্রদূত, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ প্রখ্যাত কূটনীতিবিদ আতাউর রহমান খান কায়সারের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে চট্টগ্রাম মহানগরের রীমা কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এক স্মরণ সভা ।সকাল ১০টায় প্রিয় নেতাকে চট্রগ্রাম শহরের চন্দনপুরাস্থ সুবিখ্যাত পৈত্রিক আবাস ‘বংশালবাড়ি’-তে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা। তাঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান চকবাজারের পৈত্রিক বাড়িতে সে সময় উপস্হিত ছিলেন এবং বাবা আতাউর রহমান খান কায়সারের রুহের মাগফেরাত কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন ।আতাউর রহমান খান কায়সার ১৯৪০ সালের ৭ সেপ্টেম্বর চট্রগ্রাম শহরের চন্দনপুরাস্থ সুবিখ্যাত পৈত্রিক আবাস ‘বংশালবাড়ি’-তে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আলহাজ্ব ইয়ার আলী খান দুই মেয়াদে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। তাঁর মাতা মরহুমা গুলশান আরা বেগম সুগৃহিনী ছিলেন। তাঁর নানা খান বাহাদুর আব্দুস সাত্তার ছিলেন বঙ্গীয় আইন পরিষদ সদস্য। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের তৈলারদ্বীপ গ্রামের বিখ্যাত ‘সরকার বাড়ি’ আতাউর রহমান খান কায়সারের পারিবারিক স্থায়ী আদি নিবাস। ১৯৬৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগদান করেন আতাউর রহমান খান কায়সার। ১৯৬৯ এর গনুভ্যুত্থানে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৭০ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে চট্টগ্রামের আনোয়ারা-বাঁশখালী-কুতুবদিয়া থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বাঙালির অধিকার আদায়ে উত্তাল গনআন্দোলন সংগঠিত করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তিনি। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনকালীন ১৯৭২ থেকে ১৯৭৭ পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬ সালে তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক নির্বাচিত হন আতাউর রহমান খান কায়সার। ১৯৯৭ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার এবং ১৯৯৯ সালে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন আতাউর রহমান খান কায়সার।২০১০ সালের ২৮ আগস্ট সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনে কক্সবাজার যাওয়ার সময় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। ২০১০ সালের ৯ অক্টোবর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জননেতা আতাউর রহমান খান কায়সার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।