ব্রেকিং নিউজ পরিবহন ধর্মঘটের তৃতীয় দিনে স্থবির জীবনযাত্রা

ব্রেকিং নিউজ পরিবহন ধর্মঘটের তৃতীয় দিনে স্থবির জীবনযাত্রা
কাবুল দত্ত ডেক্স প্রতিবদনঃ সরজমিন ঘুরে
জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানোর প্রতিবাদে গত শুক্রবার থেকে ধর্মঘট পালন করছে বাস ট্রাক কাভার্ডভ্যান মালিক শ্রমিক সংগঠনগুলো আজ রবিবার ভোর সকাল থেকে দূরপাল্লার যানবাহনের সাথে সাথে ও রাস্তা নামে নেই বললেই চলে ফলে অফিস-আদালত স্কুল-কলেজ এর যাত্রী ছিল উপচেপড়া ভিড় সড়কজুড়ে রিক্সা ও প্রাইভেট গাড়ির দখলে তীব্র ভোগান্তিতে যাত্রীরা অনেকে বাধ্য হয়ে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া গুনে গন্তব্যে পৌঁছান পথচারীদের অনেকের অভিযোগ সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ উদ্যোগ না নেওয়ায় এমন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামসহ সারাদেশের অভাবনীয় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে সূত্র জানায় আজ রবিবার সকাল ১১ টায় সরকারের সাথে পরিবহন মালিক শ্রমিক নেতৃবৃন্দের বৈঠকের কথা রয়েছে চট্টগ্রাম নগর সহ উত্তর দক্ষিণ জেলা যাত্রীরা পড়েছেন চরম দূর্দশায় বাসের অপেক্ষায় তারা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেছেন। কিন্তু বাসের দেখা আর পাননি। কয়েক গুণ বেশি ভাড়া দিয়ে টেক্সি কিংবা মোটরসাইকেলে করে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হতে দেখা গেছে অনেককে। এছাড়া চট্টগ্রাম নগরে আজ রোববার পরিবহন মালিকদের একটি অংশের কিছুবাস ও হিউম্যান হলার চলতে শুরু করেছে। এতে জনদুর্ভোগ কিছুটা কমেছে। তবে আন্তজেলা ও উপজেলায় বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
আজ সকাল থেকে নগরের ১৫টি রুটে কিছু বাস ও হিউম্যান হলার চলাচল করতে দেখা যায়।তবে ভরসা হিসেবে ছিল রিকশা। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে রিকশাচালক ও টেঙি চালকরা বেশি ভাড়া হাঁকছিলেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দ্বিগুণ ভাড়া নেওয়া হয়েছে। সিএনজি টেঙিগুলো ২০০ টাকার ভাড়া ৫০০ টাকা চাইতেও দ্বিধা করছে না। চড়তে চাইলে এই ভাড়া না দিয়েও উপায় নেই। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ ও ভাড়া সমন্বয়ের দাবিতে পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হয়। কিন্তু এ সুযোগে দেখা যাচ্ছে একটি পক্ষ রাস্তায় নেমে পিকেটিং করে অ্যাম্বুলেন্সসহ সাধারণ যানবাহন আটকে দিচ্ছে। ধর্মঘটের সুযোগে বিরোধী একটি পক্ষ এ কাজটি করছে বলে তাঁদের মনে হয়। এ কারণে তাঁরা আজ সকাল থেকে তাঁদের গাড়িগুলো রাস্তায় নামিয়েছেন। কমবেশি সব রুটে গাড়ি চলছে।
জনবহুল কয়েকটি স্থান ঘুরে দেখা গেছে, গণপরিবহন না থাকায় পুরো সড়কই ছিল রিকশার দখলে। রিকশাচালকদের দম ফেলার সময় নেই। একটু দরদাম করলেই ফিরিয়ে নিচ্ছেন মুখ। অন্যদিকে মোটরসাইকেল চালকরাও সুযোগ পেয়ে অ্যাপস বন্ধ করে চুক্তিতে যাত্রীদের যেতে বাধ্য করেছেন।