গ্যাসে চালিত যানবাহনে চরম নৈরাজ্য অতিরিক্ত ভাড়া আদায়,

গ্যাসে চালিত বাস, টেম্পো হিউম্যান হলার যানবাহনে চরম নৈরাজ্য অতিরিক্ত ভাড়া আদায়,

বিপ্লব সেন প্রতিবেদনঃ চট্টগ্রামে গণপরিবহনে ভাড়া নিয়ে চলছে চরম নৈরাজ্য। নগরীর প্রতিটি রুটে আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া। নির্দিষ্ট ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুণের বেশি ভাড়া আদায় করছে পরিবহনগুলো। সরকার যে ভাড়া নির্ধারণ করে দিয়েছে, অধিকাংশ গণপরিবহণ এর চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। ডিজেলের দাম বাড়ার সুযোগে গ্যাসে চালিত বাস ও সিএনজিচালিত যানেও বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এ নিয়ে চট্টগ্রাম নগরীতে চলছে যাত্রী-হেলপার বাগ্বিতণ্ডা। ঘটছে হাতাহাতির ঘটনাও।

নগরীর আগ্রাবাদ, বহদ্দারহাট, চকবাজার নিউমার্কেটসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বাস, টেম্পো হিউম্যান হলার কোনো পরিবহনেই স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। বাসে বহদ্দারহাট থেকে নতুন ব্রিজ (শাহ আমানত ব্রিজ) পর্যন্ত বাসে ভাড়া ছিল জনপ্রতি ৫ থেকে ৬ টাকা। মাহিন্দ্রায় জনপ্রতি ভাড়া ছিল১৫ টাকা। কিন্তু এখন জনপ্রতি বাস ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ১২ থেকে ১৪ টাকা। মাহিন্দ্রায় জনপ্রতি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। এছাড়া কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে ২ নম্বর গেটের ভাড়া ছিল ৮ টাকা। ৬০ শতাংশ বাড়তি অজুহাতে এখন ভাড়া নেয়া হচ্ছে ১৫ টাকা। ক্ষেত্রবিশেষ ২০ টাকাও দাবি করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা নন এসি বাসের টিকিটের মূল্য ছিল ৪৮০ টাকা। এখন ৫৫০ টাকা করা হয়েছে। ১২৫০ টাকার এসি বাসের টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে ১৪০০ টাকায়। ৬৫০ টাকার এসি টিকিট ৮০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের টিকিটের মূল্য ছিল ২৫০ টাকা। এখন ৩৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। চট্টগ্রাম থেকে চকরিয়া পর্যন্ত বাস ভাড়া ছিল ১৮০ টাকা। এখন নেওয়া হচ্ছে ২৩০ টাকা।নগরে যাত্রীদের গন্তব্য কাছাকাছি হলেও গাড়িতে উঠলেই ১০ টাকা ভাড়া নিচ্ছেন চালকরা। যেখানে আগে ভাড়া ছিল ৫ টাকা। কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত আগে ভাড়া ছিল ২৫ টাকা, এখন নেওয়া হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে ২ নম্বর গেটের ভাড়া ছিল ৮ টাকা। ৬০ শতাংশ বাড়তি অজুহাতে এখন ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১৫ টাকা। ক্ষেত্রবিশেষ ২০ টাকাও দাবি করা হচ্ছে। এ নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হচ্ছে।
এ নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত বাকবিতণ্ডা লেগে রয়েছে।ভুক্তভোগীরা বলেছেন, এসব দেখার কেউ নেই। গণপরিবহন ভাড়া জনগণের জন্য বাড়তি বোঝা নানা অজুহাতে পরিবহন শ্রমিকরা আদায় করছে তিনগুণের কাছাকাছি ভাড়া। বিশাখা নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তা অভিযোগ করে বলেন, সিটে দুইজন যাত্রী ছাড়াও দাঁড় করিয়েও যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। ভাড়াও নিচ্ছে আড়াই থেকে তিনগুণ। প্রতিবাদ করলে হেনস্তার শিকার হতে হয়। কেউ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে পারবে না। বেশির ভাগ টেম্পো পিকআপ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে।