হঠাৎ করে চালের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে ভোক্তারা

হঠাৎ করে চালের দাম বৃদ্ধিতে হোঁচট খাচ্ছেন ভোক্তারা
হঠাৎ করে চালের দাম এমন বৃদ্ধি পাওয়ায় হোঁচট খাচ্ছেন ভোক্তারা। বাম্পার ফলন হয়েছে এবং ধান মাড়াই সবে মাত্র শেষ হলো। এর মধ্যেই মিল পর্যায় প্রতি বস্তা চালের (৫০ কেজি) দাম সর্বোচ্চ ২০০ টাকা বেড়েছে। এর প্রভাব পাইকারি ও খুচরা বাজারে পড়েছে। এমনিতেই ভোক্তারা করোনার অভিঘাতে বিপর্যস্ত। অনেকের আয় কমে গেছে। দেশে ভরা মৌসুমেও চালের দাম বেড়েছে। এছাড়া মিলারদের কারণেই বাজারে ধানের দামও কিছুটা বেড়েছে। আর এই দাম বাড়ার অজুহাতটাই এখন মিলাররা দেখাচ্ছে। তারা বলছেন- ধানের দাম বাড়ার কারণে চালের দাম বেড়েছে। আবার অনেকের আয় একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে চালের দাম বৃদ্ধি এসব মানুষের মাথায় বাজ পড়ার মতো। অজুহাতে বিক্রেতারা আবারও নতুন করে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন।পাইকারি আড়ত ঘুরে ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি বস্তা মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ২৮০০ টাকা; যা ৫ দিন আগে বিক্রি হয় ২৬০০ টাকা। বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ২২০০ টাকা। যা পাঁচ দিন আগে বিক্রি হয় ২১০০ টাকা। এছাড়া মোটা চালের মধ্যে স্বর্ণা জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে ২২০০ টাকা।

যা পাঁচ দিন আগে বিক্রি হয় ২১০০ টাকা। খুচরা বাজার ঘুরে ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এদিন প্রতিকেজি মিনিকেট বিক্রি হয় ৬৫ টাকা। যা পাঁচ দিন আগেও ৬০ টাকা বিক্রি হয়েছে।ভারত থেকে আমদানি শুরুর পরও চট্টগ্রামে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী। খুচরা বাজারে কেজিতে ৫০-৬০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটি। বিআর ২৮ প্রকিকেজি বিক্রি হয় ৫২-৫৪ টাকা। যা পাঁচ দিন আগে ৪৮-৫০ টাকা বিক্রি হয়েছে। এছাড়া মোটা চালের মধ্যে স্বর্ণা জাতের প্রতি কেজি চাল বিক্রি হয় ৫০-৫১ টাকা। যা সাত দিন আগেও ৪৫-৪৬ টাকা বিক্রি হয়েছে।