স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা আমরা নিশ্চিত করেছি—প্রধানমন্ত্রী

দেশে স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছি —প্রধানমন্ত্রী
ডিসেম্বর ২৯,বুধবার বিকালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক প্রকাশিত ‘বঙ্গবন্ধু ও বিচার বিভাগ’ শীর্ষক স্মারকগ্রন্থ এবং ‘ন্যায় কণ্ঠ’ শীর্ষক মুজিববর্ষ স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।বিচার বিভাগের অধিকারের জন্য, বিচার বিভাগের উন্নয়নের জন্য বা দেশের মানুষের জন্য কী করেছি সেটা বলতে চাই না। তবে আমি এটুকু বলব, যেহেতু আমার বাবা চাইতেন স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা, আমরা সরকারে এসে সেই স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছি। সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী । অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন প্রমুখ।শেখ হাসিনা বলেন, অন্য সরকারগুলোর মতো আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার বিচার বিভাগে কখনো হস্তক্ষেপ করেনি। এর আগে অনেক ঘটনা আছে আপনারা জানেন। দেখা গেছে ফলস সার্টিফিকেটের ব্যবহার বা ছাত্রদলের কাঁধে হাত রেখে কাকে কী রায় দেয়া হবে সেটা নিয়ে আলোচনা, এ রকম বহু ন্যক্কারজনক ঘটনাও বাংলাদেশে ঘটেছে। আমি এটুকু বলতে পারি, আমরা সরকারে আসার পর অন্তত এই পরপর তিনবার এখন আমরা ক্ষমতায় বা এর আগে একবার ছিলাম, আমরা কিন্তু সেটা করার সুযোগ নিইনি। সবসময় একটা ন্যায়ের পথে যেন সবাই চলতে পারে আমরা সেই ব্যবস্থা করেছি।

স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, প্রতিটি ক্ষেত্রে আপনারা দেখবেন একের পর এক আমরা কাজ করে গেছি। দ্বিতীয়বার যখন এসেছি তখন আমরা দ্য কোর্ট অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর সংশোধন বিল ২০০৯ পাস করে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণকে স্থায়ী রূপ দিয়েছি। এমনকি অর্থনৈতিকভাবেও যেন বিচার বিভাগ স্বাধীনতা অর্জন করে সেই ব্যবস্থাটাও কিন্তু আমি ’৯৬ সালে এসে করে দিয়েছিলাম। পরবর্তী সময়ে এসে সব রকম সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো, এর মাঝে আপনারা জানেন বিভিন্ন জেলায় বোমা মেরে বিচারকদেরও হত্যা করা হয়েছে, সেখানে আমরা তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করেছি।

বিচারকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচারকদের থাকার, তাদের চলার ব্যবস্থাসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা আমরা সাধ্যমতো করে দিয়েছি।

বিচারকদের দক্ষতা বাড়াতে দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টির কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আইন কমিশন আমরা গঠন করি। বিচারকদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট আমি প্রতিষ্ঠা করে দিই। এখন তো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ট্রেনিং নেয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। অন্য শেখ হাসিনা বলেন, অন্য সরকারগুলোর মতো আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার বিচার বিভাগে কখনো হস্তক্ষেপ করেনি। এর আগে অনেক ঘটনা আছে আপনারা জানেন। দেখা গেছে ফলস সার্টিফিকেটের ব্যবহার বা ছাত্রদলের কাঁধে হাত রেখে কাকে কী রায় দেয়া হবে সেটা নিয়ে আলোচনা, এ রকম বহু ন্যক্কারজনক ঘটনাও বাংলাদেশে ঘটেছে। আমি এটুকু বলতে পারি, আমরা সরকারে আসার পর অন্তত এই পরপর তিনবার এখন আমরা ক্ষমতায় বা এর আগে একবার ছিলাম, আমরা কিন্তু সেটা করার সুযোগ নিইনি। সবসময় একটা ন্যায়ের পথে যেন সবাই চলতে পারে আমরা সেই ব্যবস্থা করেছি।

স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, প্রতিটি ক্ষেত্রে আপনারা দেখবেন একের পর এক আমরা কাজ করে গেছি। দ্বিতীয়বার যখন এসেছি তখন আমরা দ্য কোর্ট অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর সংশোধন বিল ২০০৯ পাস করে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণকে স্থায়ী রূপ দিয়েছি। এমনকি অর্থনৈতিকভাবেও যেন বিচার বিভাগ স্বাধীনতা অর্জন করে সেই ব্যবস্থাটাও কিন্তু আমি ’৯৬ সালে এসে করে দিয়েছিলাম। পরবর্তী সময়ে এসে সব রকম সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো, এর মাঝে আপনারা জানেন বিভিন্ন জেলায় বোমা মেরে বিচারকদেরও হত্যা করা হয়েছে, সেখানে আমরা তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করেছি।

বিচারকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচারকদের থাকার, তাদের চলার ব্যবস্থাসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা আমরা সাধ্যমতো করে দিয়েছি।

বিচারকদের দক্ষতা বাড়াতে দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টির কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আইন কমিশন আমরা গঠন করি। বিচারকদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট আমি প্রতিষ্ঠা করে দিই। এখন তো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ট্রেনিং নেয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। অন্য গরিব মানুষকে আইনি সহায়তা দান প্রসঙ্গে সরকারপ্রধান বলেন, গ্রামের যেসব হতদরিদ্র মানুষ বিচার পায় না, তাদের জন্য লিগাল এইড কমিটি গঠন এবং এজন্য আলাদা অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। গরিব সাধারণ মানুষ যেন বিচার পায়, সে ব্যবস্থা আমরা করে দিয়েছি। এটা আমরা ২০০০ সালে প্রণয়ন করেছি।

অবকাঠামোগত উন্নয়নের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আগে মাত্র হাতেগোনা সাতজনের বেশি বিচারক বসতে পারতেন না, এনেক্স ভবন করে দিয়েছি। ৪০টা চেম্বারের ব্যবস্থা করে দিলাম। পাশাপাশি প্রত্যেকটা জেলা কোর্ট নতুনভাবে গড়ে তোলা হয়েছে।

উচ্চ আদালতে নারী বিচারক নিয়োগে নিজের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তান আমলে যে আইন ছিল, সেখানে বিচার প্রক্রিয়ায় নারীরা অংশ নিতে পারবেন না। জাতির পিতা সেই আইন পরিবর্তন করে সুযোগ দিলেন। কিন্তু আমি এসে দেখলাম আমাদের উচ্চ আদালতে কোনো নারী নেই। আমি অনুরোধ করলাম প্রধান বিচারপতি ও রাষ্ট্রপতিকে যে সেখানে নারীদের সুযোগ দিতে হবে।

বাংলাদেশে গণতন্ত্র আর মানবাধিকার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনার অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমেরিকার মতো জায়গা, যারা সবসময় ন্যায়বিচারের কথা বলে, গণতন্ত্রের কথা বলে, ভোটাধিকারের কথা বলে, তারা মানবাধিকারের কথা বলে কিন্তু আমাদের যে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছিল, আমরা যে ন্যায়বিচার পাইনি, তারপর যখন এই বিচার হলো, সেই খুনিদের আশ্রয় দিয়ে বসে আছে। নূরকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে কানাডা, আর খুনি রাশেদ এখনো আমেরিকায়। তাদের কাছ থেকে আমাদের আইনের শাসনের সবকও শুনতে হয়, গণতন্ত্রের কথাও শুনতে হয়, ন্যায়বিচারের কথাও শুনতে হয়, সেটিই আমার কাছে অবাক লাগে।