চট্টগ্রামে জিপিএ ৫ ১২ হাজার ৭৯১পাসের হার ৯১.১২

চট্টগ্রামে জিপিএ ৫ ১২ হাজার ৭৯১পাসের হার ৯১.১২
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৯১.১২ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১২ হাজার ৭৯১ জন। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর)বিকালে হাজারো শিক্ষার্থীদের আনন্দের সাথে সামিল প্রিয়শিক্ষকরা ও।শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষকরা হচ্ছেন সেই মেরুদণ্ড তৈরির কারিগর। জাতির চালিকা শক্তি ঠিক রাখার জন্য শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম।

একজন শিক্ষার্থীকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে একজন শিক্ষক মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকেন।প্রভাষক শিমু মহাজন জানান কোভিড এর মধ্যে ও সুশৃঙ্খল, পরিশ্রমী, সৎ ও সাহসী মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার এমন প্রশংসনীয় সাহসিকতার পুরষ্কার জয় করে নিয়েছে শিক্ষার্থীরা আমার সনতানরা আমি সত্যিই আনন্দিত গর্ভিত।স্নেহ, মমতা, ভালোবাসা, আদর ও শাসন এবং নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমেই জাজকের অর্জন।

এবার সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে তিনটি নৈর্বচনিক বিষয়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এসএসসিতে এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় এগিয়ে আছে মেয়েরা। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এ ফল গত ৭ বছরে সর্বোচ্চ।এবার চট্টগ্রামে গড় পাসের হার ৯১.১২ শতাংশ। এর মাঝে ছাত্র পাসের হার ৯০.১৪ শতাংশ। আর ছাত্রী পাস করেছে ৯১.৯৯ শতাংশ। হিসেবে ছাত্রের তুলনায় ছাত্রীদের পাসের হার ১.৮৫ শতাংশ বেশি। একইভাবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায়ও এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। এবার সবমিলিয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১২ হাজার ৭৯১ জন। এর মাঝে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রী সংখ্যা ৭ হাজার ৪০৯ জন। আর ছাত্রদের মাঝে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৩৮২ জন। হিসেবে ছাত্রদের তুলনায় ২ হাজার ২৭ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে পাসের হার ছিল ৮২.৭৭ শতাংশ। ২০১৬ সালে পাসের হার বেড়ে দাঁড়ায় ৯০.৪৫ শতাংশ। পরের বছর (২০১৭ সালে) তা কমে পাসের হার দাঁড়ায় ৮৩.৯৯ শতাংশ। ২০১৮ সালে আরো কমে ৭৫.৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে। তবে ২০১৯ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে পাসের হার বেড়েছে। ২০১৯ ও ২০২০ সালে পাসের হার দাঁড়ায় যথাক্রমে ৭৮.১১ শতাংশ ও ৮৪.৭৫ শতাংশ। তবে ২০২১ সালে (এবার) পাসের হার পুনরায় ৯১ শতাংশ ছাড়িয়েছে। মোট পরীক্ষার্থীর ৯১.১২ শতাংশ পাস করেছে এবার। এর আগে সর্বশেষ ২০১৪ সালে সর্বোচ্চ ৯১.৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে চট্টগ্রামে। হিসেবে ৭ বছরে চট্টগ্রামের পাসের হার পুনরায় ৯১ শতাংশের ঊর্ধ্বে উঠেছে। এদিকে, এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা গত ৮ বছরে এবারই সর্বোচ্চ। এবার রেকর্ড ১২ হাজার ৭৯১ জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। কিন্তু পাসের হারে সবচেয়ে ভালো ফল হওয়া ২০১৪ সালে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা ছিল ১০ হাজার ৮৮৪ জনে। ২০১৫ সালে জিপিএ-৫ পায় ৭ হাজার ১১৬ জন। ২০১৬ সালে পায় ৮ হাজার ৫০২ জন। ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে এ সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৮ হাজার ৩৪৪ জন, ৮ হাজার ৯৪ জন ও ৭ হাজার ৩৯৩ জন। আর গত বছর (২০২০ সালে) জিপিএ-৫ পায় ৯ হাজার ৮ জন।