তীব্র শীত, হিমেল বাতাসে জনজীবন বিপর্যস্ত

তীব্র শীত, হিমেল বাতাসে জনজীবন বিপর্যস্ত
শৈত্যপ্রবাহ ও হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে দেশ। ‘মাঘের শীতে বাঘও কাঁপে’ প্রবাদবাক্যটি আবারো প্রমাণিত হয়েছে গত তিন দিনের শীতে। মানুষ কাঁপছে ঠক ঠক করে। শুধু শিশু-বৃদ্ধ নয়, সব বয়সীর একই অবস্থা। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এবং প্রশান্ত মহাসাগরে লা নিনা সক্রিয় হওয়ায় এই শীত মৌসুমে হঠাৎ হঠাৎ ঠাণ্ডা বেড়ে যাওয়ার একটি পূর্বাভাস ছিল মৌসুমের প্রথম দিকেই। চলতি শীতে এটাই প্রমাণিত হলো, বাংলাদেশে হঠাৎ প্রচণ্ড শীত পড়েছে।গতকাল সারা দিনই ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাওয়া শীতল হাওয়ায় দাঁতে দাঁত লেগে যাওয়ার অবস্থা । শীতের মাত্রা আরো বেড়েছে সকালের দিকে দেশব্যাপী মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ায়। আবহাওয়া অফিস বলছে, আজ ও সারা দিনই মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে দেশের প্রায় অর্ধেক অংশে। বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে শীতের কামড়টা বেশি।জেট বায়ু প্রবাহ’। জেট-বায়ুর কিছু অংশ নিচের দিকে চলে এসেছে বাংলাদেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে হাড় হিম করে দেয়াএ কারণেই প্রচণ্ড শীতে কাঁপছে দেশ।
প্রচণ্ড শীত যে পড়ছে তা পশু পাখির আচরণেও প্রকাশ পাচ্ছে। ঠাণ্ডায় কুঁকড়ে যেতে দেখা যাচ্ছে পশুগুলোকে। করোনার কারণে নিম্ন ও ছিন্নমূল মানুষের রোজগার গেছে কমে। ভরসা সরকার, রাজনৈতিক দল ও বিত্তবানদের সাহায্য। চলতি শীতে বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু কম্বল ও গরম কাপড় বিতরণ করা হচ্ছে; কিন্তু তা সর্বত্র নয়।আগামী দু একদিনপর থেকেই তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে চলে আসতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। আগামী শুক্রবার থেকে দেশব্যাপী বৃষ্টিও শুরু হতে পারে। মাঘের শীত বেশি দিন স্থায়ী হয় না, এটা জেনেও গতকাল ফুটপাথে গরম কাপড়ের দোকানগুলো বেশ সরগরম ছিল। শীত নিবারণের জন্য সাধ্যমতো গরম কাপড় কিনেছে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ।