পার্বত্যাঞ্চলে প্রাণে প্রাণে বৈসাবির উচ্ছ্বাস

পার্বত্যাঞ্চলে প্রাণে প্রাণে বৈসাবির উচ্ছ্বাস
শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী বিজু সাংগ্রাই বৈসুক বিষু মেলা-২০২২। তা শেষ হবে ৮ এপ্রিল। মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপে গত দুই বছর বন্ধ ছিল পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের সবচেয়ে বড় সামাজিক অনুষ্ঠান ‘বৈসাবি উৎসব’। তবে এবার নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে নানা আনুষ্ঠানিকতায় এই উৎসব শুরু হয়েছে। আবারও বৈসাবি উৎসবে মেতেছে পাহাড়ের মানুষ। রাঙামাটিসহ ৩ পার্বত্য জেলা পরিষদ ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় এ মেলার আয়োজন করে ।বিজু, বৈসুক, সাংগ্রাই, বিহু ও বিষু—নানান নামে আয়োজিত বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর উৎসবকে একত্রে ‘বৈসাবি উৎসব’ হিসেবে পার্বত্যাঞ্চলে পালন করা হয়। মূলত চৈত্রের শেষ দিন ও নববর্ষ বরণ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন হলেও, পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানের রেশ থেকে যায়।

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বৃহত্তম এই সামাজিক আয়োজনে এখন ব্যস্ত শহর, নগর আর পাহাড়ি পল্লীগুলো। চারিদিকে আনন্দের সুর লহরী আর রঙিন সাজ।
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গনে আয়োজিত এ মেলা উদ্বোধন করেন খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার এমপি। এ সময় ৩০৫ পদাতিক রাঙামাটি ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমতাজ উদ্দিন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও পুলিশ সুপার মীর মোদ্দাছ্ছের হোসেন বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রæ চৌধুরী।
এর আগে শহরের কলেজগেট থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গনে গিয়ে শেষ হয়। মেলায় পাহাড়িদের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক উৎসব, খেলাধুলা, পণ্য প্রদর্শনী, নাটক মঞ্চায়নসহ ব্যাপক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।