ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে নগর আলীগের সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে নগর আওয়ামীলীগের সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
আজ রোববার (১৭ এপ্রিল) ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ইফতার মাহফিলপূর্ব আলোচনা সভায় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায়,সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনীর সঞ্চলনায় সাবেক সফল মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন এবং নানামুখী বহুমাত্রিক উন্নয়নে বাংলাদেশ বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে আজ।মুজিবনগর সরকার দিবসটি স্বাধীন বাঙালি জাতিসত্তার অভ্যুদয়ের পেছনে এটি সুসংগঠিত ও আইনসিদ্ধ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠনের ঐতিহাসিক মাইলফলক। এদিন বাঙালি বিশ্ববাসীকে জানান দিয়েছিল বাঙালি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে স্বাধীন ভূমির ঠিকানা রচনা করেছে। এই স্বাধীন জাতির বাসভূমিকে হানাদারমুক্ত করতে যে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল তা বিশ্ববাসীর কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে এই দিবসেই। আওয়ামী লীগ যদি ক্ষমতায় না থাকে তাহলে আমাদের কারো পায়ের নিচে মাটি থাকবে না জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে মতভিন্নতা ও নেতৃত্বের প্রতিযোগিতাসহ যা কিছুই থাক না কেন, মনে রাখতে হবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষার অগ্নি পরীক্ষার শুভ মাহেন্দ্রক্ষণ। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাকেই নৌকা প্রতীক দেবেন, তাকেই বিজয়ী করার জন্য এখন থেকে আমাদের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা অনুযায়ী ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণের আস্থা অর্জনে কাজ করে যেতে হবে।
নগর আওয়ামী লীগের ঐক্য ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার গুরুত্ব সম্পর্কে আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ঢাকা মহানগরীর পর চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সংগঠনের সবচেয়ে বড় আদর্শিক দলীয় প্লাটফর্ম। আমাদের মধ্যে মতভিন্নতা থাকতেই পারে, তবে তাতে যেন ব্যক্তিস্বার্থ কেন্দ্রিক ও অনৈতিক উচ্চাভিলাসী আচরণের বহিঃপ্রকাশ না ঘটে। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ অতীতেও প্রমাণ করেছে এখনো করছে এবং আগামীতেও করবে আমরা ঐক্যবদ্ধ। বৃহত্তর রাজনৈতিক ও দলীয় স্বার্থে ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমাদের অবশ্যই ব্রত গ্রহণ করতে হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম মহানগর ও তৎসংলগ্ন এলাকার ৬টি সংসদীয় আসন অবশ্যই প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেব।
বক্তব্য দেন সহ সভাপতি নঈম উদ্দীন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, এম জহিরুল আলম দোভাষ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক দিদারুল আলম চৌধুরী, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক জালাল উদ্দীন ইকবাল, নির্বাহী সদস্য সৈয়দ আমিনুল হক, থানা আওয়ামী লীগের ফিরোজ আহমদ, অধ্যাপক আসলাম হোসেন, রেজাউল করিম কায়সার, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আবুল হাসেম বাবুল, কাজী রাশেদ আলী জাহাঙ্গীর, আশরাফুল আলম, ইউনিট আওয়ামী লীগের হাজী সেলিমুর রহমান। প্রমুখ আলোচনাসভা ও ইফতার পূর্ব দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন হাজি ফজল কবির। সভার শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এবং করোণাকালীন সময়ে নগর আওয়ামী লীগের যে সব নেতাকর্মী মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।