কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল ঠাঁই নাই অবস্থা

নাজমূল বরাত রনি বিশেষ প্রতিবেদনঃ ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পর্যটকে লোকারণ্য হয়ে আছে কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়ি ও পর্যটনস্পটগুলো। ঈদের প্রথম দিনের তুলনায় দ্বিতীয় দিন পর্যটকের উপস্থিতি কয়েকগুণ বেড়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কক্সবাজারে সাড়ে ৪শ’ আবাসিক হোটেলে লক্ষাধিক পর্যটক রুম বুকিং করেছে। তাদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, র‌্যাব ও সাদা পোশাকধারী পুলিশ দায়িত্ব পালন করছেনসৈকতে নিরাপত্তা ও তৃষ্ণার্থ পর্যটককে পানি পানের ব্যবস্থা করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।কক্সবাজার সাগরের হাওয়া খেতে লোকারণ্য সৈকতের বালিয়াড়ি। ভিড় রয়েছে হোটেল-মোটেল জোনের অলিগলি রাস্তাতেও। সবখানেই লোকজনের ভিড়। বাইবাস সড়ক, কলামতী ডলফিন মোড়, হোটেল-মোটেল জোন, লাবণী, শৈবাল সড়কে যানজট তৈরি হয়েছে। ঈদ ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে শনিবার (৭ মে) পর্যন্ত পর্যটন নগরীতে পাঁচ লাখের বেশি পর্যটক উপস্থিতির আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ সময়ে প্রায় অর্ধহাজার কোটি টাকার বাণিজ্যের আশাও করছেন তারা।পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্তক অবস্থায় দায়িত্বপালন করছে ট্যুরিস্ট ও জেলা পুলিশ। মোতায়েন রয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। মাঠে টহল দিচ্ছেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ ভ্রাম্যমাণ আদালত। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে পর্যটন স্পটগুলো।কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদ বলেন, বিনোদনের পাশাপাশি পর্যটকদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে সচেতনতামূলক মাইকিং করা হচ্ছে। সৈকতের ১১টি পয়েন্টে তথ্যকেন্দ্র স্থাপন করা আছে। কোথাও পর্যটক হয়রানির অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মাঠে রয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।অনাকাঙ্ক্ষিত যেকোনো ঘটনা রোধে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে এবং পর্যটক বেশেও নারী পুলিশ সদস্যরা সৈকতে ঘুরছেন। টহলে এলিট ফোর্স র্যাবও রয়েছে।