ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরা মানুষের ভোগান্তি চরমে

ঈদ শেষে কর্মস্থলগামী মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। দৌলতদিয়া ঘাট অভিমুখে মহাসড়কে নদী পারের অপেক্ষায় আটকা পড়েছে হাজার হাজার যানবাহন। মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাটে ছিল ঢাকামুখী যাত্রী ও যানবাহনের চাপ। ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতূ পূর্ব ৮ কিলোমিটার মহাসড়কে ধীরগতিতে যানজট। তবে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে গাড়ির চাপ বাড়লেও যানজট নেই।ঈদের পর কর্মস্থলমুখো যাত্রীদের কাছ থেকে এক শ্রেণির বাস মালিক-শ্রমিকরা বেশি ভাড়া আদায় করছে এমন অভিযোগে আরিচা-পাটুরিয়া ঘাটে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৯টি পৃথক মামলা দায়ের ও ৪২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

সংবাদদাতা জানান, ঈদ শেষে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট দিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলায় কর্মস্থলে ফিরছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লাখো মানুষ। দৌলতদিয়া ঘাটে গত তিন দিন ধরে চরম ভোগান্তির শিকার তারা। মহাসড়কে নদী পারের অপেক্ষায় আটকা পড়েছে হাজার হাজার যানবাহন। রবিবারও কর্মস্থলমুখী মানুষের চাপ অব্যাহত থাকায় ভয়াবহ যানজটে দীর্ঘ সময় আটকে থাকে যানবাহন। সকালে ফেরিঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে গোয়ালন্দ জমিদার ব্রিজ এলাকা পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার এলাকায় আটকে পড়ে সহস্রাধিক যানবাহন। প্রচণ্ড গরমে ভোগান্তিতে পড়ে ঈদ করতে আসা মানুষ। গাড়িতে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা বসে থেকে কোনো উপায় না পেয়ে ব্যাগ ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে পায়ে হেঁটে ফেরিঘাটে রওনা দেয় অনেকেই। অন্যদিকে দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে গোয়ালন্দ মোড় থেকে তিন শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক সিরিয়ালে আটকে রাখা হয়েছে।এদিকে দুর্ভোগের শিকার এসব মানুষকে বিশুদ্ধ খাওয়ার পানি ও শরবত পান করিয়ে মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে গোয়ালন্দ সরকারদলীয় রাজনৈতিক সংগঠন ।