» তীব্র গরমে হাঁসফাস অস্থির জনজীবন

প্রচণ্ড গরমে দেশের বিভিন্ন জায়গায় মানুষ অস্থির হয়ে উঠেছে। মৌসুমি রোগের প্রকোপ বেড়েছে মাথার ওপর থেকে সূর্য তখন কিছুটা পশ্চিমাকাশে হেলে পড়েছে। কিন্তু প্রচণ্ড আঁচে গা পুড়ে যায় যায় অবস্থা। গরম ও রোদের পখর তাপে জনজীবনের পাশাপাশি কাহিল হয়ে পড়ছে প্রাণীরাও। ভ্যাপসা গরম সহ্য না করতে পেরে ছোট ও বড়রা নামছেন পুকুরে জলাশয়ের পানিতে। গত কয়েক দিনের টানা দাবদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন। গরমে হাঁসফাস নেমেছে মানুষের জীবনে। তীব্র গরম আর রোদে খেটেখাওয়া মানুষজনে বিপর্যস্থ জীবন। একটু প্রশান্তির আশায় গাছের ছায়ায় স্বস্তি খুঁজে নিচ্ছে মানুষ।কয়েকদিন ধরেই চলছে লু হাওয়া অসহ্য গরম আর বাইরে রোদের তীব্রতা দাবহাহে এত বেশি যে কিছুক্ষণ দাড়ালেই ঘামে শরীর ভিজে যাচ্ছে।বিভিন্ন প্রতিনিধিরা এলাকা ঘুরে দেখা অতিরিক্ত গরমে একটু প্রশান্তির আশায় মানুষকে গাছের ছায়ায় কিংবা শীতল কোনো স্থানে বসে বা শুয়ে থাকতে দেখা গেছে। গরমের তীব্রতা সহ্য করতে না পেরে শিশুরাও পুকুর কিংবা শ্যালো মেশিনের পানিতেই দিনের বেশিরভাগ সময় পার করছে।মঙ্গলবার তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর গত দুই দিনও ছিল একই রকম।তীব্র গরমে স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারছেন না পণ্য ডেলিভারি ম্যান, রিকশা-ভ্যানচালক থেকে শুরু করে দিনমজুররা। কয়েক দিনের ভ্যাপসা গরমে জ্বর, ঠান্ডা, ডায়রিয়াসহ গরমজনিত নানা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে।গরমের তীব্রতায় ছোটবড় সবার হাঁসফাঁস অবস্থা। বাসা থেকে বের হওয়ার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই রোদের খরতাপে অসহনীয় অবস্থায় পড়ছেন তাঁরা। প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না অনেকে। যাঁরা ঘুরে ঘুরে পণ্য বিক্রি করেন, রোদের তীব্রতা সহ্য করতে না পেরে তাঁরা কম লাভে দ্রুত পণ্য বিক্রি করে বাসার পথ ধরছেন।