৪ ডিসেম্বর পলোগ্রাউন্ডের জনসভা প্রমাণ করবে এই চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের দুর্জয় ঘাঁটি

আগামী ৪ ডিসেম্বর পলোগ্রাউন্ড মাঠে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে আজ রবিবার ২০ নভেম্বর সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা ৪ ডিসেম্বর পলোগ্রাউন্ডের জনসভাকে ঘিরে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায়
নগরের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ৪ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ হবে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ গণজমায়েত। একই দিন সকালে চট্টগ্রামে তিনি আরো একটি রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে যোগদান করবেন। এটি চট্টগ্রামবাসীর কাছে গৌরবের একটি দিন। চট্টগ্রামে এখন সাজ সাজ রব চলছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত। এই মহাসমাবেশ শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এই মহাসমাবেশে চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটবে। মহাসমাবেশে পলোগ্রাউন্ড ময়দান ও সংলগ্ন এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হবে। পলোগ্রাউন্ডের মহাসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে নগর থানা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও ইউনিট আওয়ামী লীগের যৌথ প্রস্তুতি সভায়তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন দেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেন আ জ ম নাছির উদ্দীন আরো বলেন , আমাদের প্রত্যেককে দেশপ্রেমে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতি করতে হবে এবং সমাজকে ভালবাসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর ক্ষমতা গ্রহণের ১০ বছর পর চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ও স্থানীয় ইস্যু সম্পর্কে মুক্ত কন্ঠে কথা বলবেন। তাই এই জনসভাকে সফল করতে আওয়ামী লীগের প্রতিটি স্তরের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।
বিএনপি-জামাত বিভাগীয় সমাবেশের মাধ্যমে সারা দেশে অরাজকতা সৃষ্টির যে পরিকল্পনা নিয়েছে তার বিরুদ্ধে আমাদেরকে মাঠে থাকতে হবে। বর্তমানে কোভিড-১৯ পরবর্তী সময় এবং রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে যে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও সংকট তৈরি হয়েছে তা মোকাবেলা করার জন্য প্রত্যেক দেশপ্রেমিক নাগরিকের সমান দায়িত্ব রয়েছে।তিনি আরও বলেন, আমাদেরকে প্রমাণ করতে হবে যে, বৃহত্তর স্বার্থে আমরা ক্ষুদ্র স্বার্থকে পরিহার করতে জানি। জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষায় সংগঠনকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের বিজয় রথের চাকাকে সচল রাখতে সমর্থ হব। তাই শেখ হাসিনার এ জনসভার মাধ্যমে দেশবাসীকে জানান দিতে হবে আওয়ামী লীগ অবিনশ্বর এবং অপরাজেয় সংঘশক্তি।
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী।
এসময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নঈম উদ্দীন চৌধুরী, এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, উপদেষ্টা একেএম বেলায়েত হোসেন, সফর আলী, এনামুল হক চৌধুরী, শেখ মাহমুদ ইছহাক প্রমুখ।