ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত পরিচালক ও সহ সভাপতি বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা

অনিক মল্লিক ডেক্স প্রতিবেদন নেতা-কর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন সুশান আনোয়ার চৌধুরী বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচালক ও সহ সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় একরামূল হক, আশু তোশ নাথকে


বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা চট্টগ্রাম পক্ষ থেকে নব নির্বাচিত নেতৃবৃন্দ অফিসে এলে নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ফুল মিষ্টি নিয়ে হাজির হন।ফুলে ফুলে ভরে যায় হল রুম। এসময় বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সংস্কৃতজন দেওয়ান মাকসুদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা লেখক সংগঠক পিনাকী দাশ,
বাইরের অনেক নেতৃবৃন্দ ফুল দিয়ে অভিনন্দিত করেন নব-নির্বাচিত পরিচালক ও সহসভাপতি কে।অনুষ্ঠানের শুরুতেই নব-নির্বাচিত পরিচালককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান
এলুমিনিয়াম শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি একরামূল হক, সাধারণ সম্পাদক হাজী মো:চুন্নু মিয়া ,সভাপতি:মোহাম্মদ হানিফ,সহ-সভাপতি :মো জাহাঙ্গীর আলম,অর্থ সম্পাদক: হাজী মো: আমির হোসেন,সদস্য : তারিক হোসেন শারুক,সদস্য: জয়নাল আবেদীন।
বক্তরা বলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন ২০২৩ সালে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং সে কারণে তার সরকার ইতোমধ্যেই আগাম প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে।এর আগে গত মাসেই বিশ্বব্যাংকও তাদের একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে জানিয়েছিলো যে বিশ্ব অর্থনীতি ২০২৩ সালের দিকে মন্দার দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে।
মূলত দু বছরের করোনা মহামারির পর ইউক্রেন যুদ্ধের জের ধরেই বিশ্বে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা, যা মোকাবেলায় দেশে দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার হিমশিম খাচ্ছে।
তবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বৈশ্বিক অর্থনীতির এ হালের জন্য এর আগে ইউক্রেন যুদ্ধ আর পরাশক্তি গুলোর নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞাকেই কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বসুন্ধরা সংগঠন জয়বাংলা স্াংস্কতিক জোটসহ বিভিন্ন সংগঠন সমূহ সংগঠক গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা ।একে একে সবাই লাইন দিয়ে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান নেতৃবৃন্দকে। প্রায় এক ঘণ্টা দাড়িয়ে থেকে নেতা-কর্মীদের ফুল গ্রহণ করেন নব-নির্বাচিত নেতৃত্ব। সংবর্ধিত নির্বাচিত নেতৃত্বরা বলেন আজকের সংবর্ধনা সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ। আজীবন মনে থাকবে আপনাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা।
সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রেখে দেশ ও জাতীর স্বার্থে কাজ করাই আমাদের বর্তমান লক্ষ্য। দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে দেশ ও মানুষের জন্য মঙ্গলময় রাজনীতি করবে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা কেন্দ্রীয় কমিটি ।বীর মুক্তি যোদ্ধারা বলেন স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও নতুন প্রজন্মের অনেকের প্রশ্ন—সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বাদ কি পেয়েছি আমরা? মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাসহ ৩০ লাখ মানুষের আত্মদান আর দুই লাখ নারীর সম্ভ্রমহানির বিনিময়ের ফসল আজকের বাংলাদেশ। তার অর্জন ধরে রাখতে এক হয়ে কাজ করতে হবে ৭১ চেতনায় বিশ্বাসী সংগঠন গুলোকে।
শোষণ ও বৈষম্যহীন সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পথে আরো অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে। মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের জয়লাভের বড় হাতিয়ার ছিল দেশপ্রেম। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে এ মাটির শ্রেষ্ঠ সন্তানরা পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে লাল-সবুজ পতাকার জন্ম দিয়েছেন। দেশপ্রেম, আত্মবিশ্বাস ও আত্মশক্তিতে জেগে ওঠার এ এক বিরল ইতিহাস। কিন্তু স্বাধীনতার পর ব্যক্তিস্বার্থের প্রাধান্যে সেই ঐক্য ও দেশপ্রেম অনেকটাই আজ ম্রিয়মাণ। নৈতিক চেতনার উন্নতিতে আমাদের মনোযোগ কম। ফলে বেড়েছে বঞ্চনা, অন্যায় ও বৈষম্য। অবকাঠামোগত উন্নতি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের
জন্য আমাদের সবচেয়ে বেশি যে বিষয়গুলো প্রয়োজন, একাত্তরের চেতনাসমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে দেশপ্রেম জাগ্রত হওয়ার জন্য আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য জানতে হবে। আমাদের নতুন প্রজন্মরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ যেখানে আমরা আমাদের মেধার পূর্ণাঙ্গ প্রয়োগ করতে পারবে, মেধা ও মননের বিকাশ ঘটাতে পারবে। বিশ্বমন্দাভাব
মোকাবেলা করতে পারলে চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, বিশ্ব মানবতার মার হাত ধরেই বাংলাদেশ বর্তমান অবস্থার চেয়ে দ্রুততম সময়ে বহুদূর এগিয়ে যাবে। কেউ এদেশকে দাবিয়ে রাখতে পারবে না। আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত সোনার বাংলা গড়তে পারব। এ জন্য শুধু সরকার নয়, সংগঠন ও প্রতিটি ব্যক্তিপর্যায় থেকে একসঙ্গে আওয়াজ তুলতে হবে, সচেতন হতে হবে। এখন কিভাবে এই বাধা অতিক্রম করব?