চট্টগ্রাম মহানগর আ. লীগের ইউনিট-ওয়ার্ড ও থানা সম্মেলনের প্রস্তুতি

চট্টগ্রাম মহানগর আ. লীগের ইউনিট-ওয়ার্ড ও থানা সম্মেলনের প্রস্তুতি
কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্দেশনা মোতাবেক চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ ইউনিট-ওয়ার্ড ও থানা সম্মেলনের দিকে এগুচ্ছে । আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিটি ইউনিট-ওয়ার্ড ও থানা সম্মেলন শেষ করে জেলা সম্মেলনের প্রস্তুতি শুরু করেছে।
দলের সভাপতি-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৯ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় মেয়াদোত্তীর্ণ জেলাগুলোতে বর্ধিত সভা ও প্রতিনিধি সভা করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সাথে ইউনিট, ওয়ার্ড, থানা ও উপজেলা সম্মেলন শেষে ডিসেম্বরের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা সম্মেলনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ ১৫ সেপ্টেম্বর সম্পাদকমন্ডলী এবং সভাপতি মন্ডলীর সভা এবং ১৯ সেপ্টেম্বর বর্ধিত সভা আহবান করেছে। এখন নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে সদস্য নবায়ন ও সংগ্রহ অভিযান চলছে।
কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ চলতি সেপ্টেম্বর থেকে ইউনিট সম্মেলন শুরু করতে যাচ্ছে। ইউনিট সম্মেলনের পরপরই শুরু করবে ওয়ার্ড সম্মেলন। এরপরই নগরীর ১৫ থানা সম্মেলন শুরু করবেন বলে জানান নগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক। তিনি গতকাল আজাদীকে জানান, কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা আসছে ডিসেম্বরের মধ্যে ইউনিট-ওয়ার্ড ও থানা সম্মেলন শেষে জেলা সম্মেলনের প্রস্তুতি নেয়ার জন্য। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক আমাদের প্রস্তুতি আছে। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ ১৫ সেপ্টেম্বর সম্পাদকমন্ডলী এবং সভাপতিমন্ডলীর সভা আহ্বান করেছে। এই সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে কোন পদ্ধতি অবলম্বন করে ইউনিট ও ওয়ার্ড সম্মেলন করা যায় সেই ব্যাপারে। ওয়ার্ড সম্মেলনের জন্য আগেই ১০টি টিম গঠন করা হয়েছিল। ওই টিমের কয়েকজন মারা গেছেন। তাদের শূন্যস্থান পূরণ করতে হবে। এই লক্ষ্যে ১৯ সেপ্টেম্বর থিয়েটার ইনস্টিটিউট হলে বর্ধিত সভা আহ্বান করা হয়েছে। ওই সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। কোন ওয়ার্ডে কারা সম্মেলনের দায়িত্ব পালন করবেন।
যে ওয়ার্ডে সদস্য নবায়ন হয়ে যাবে সাথে সাথে সেখানে ইউনিটে ইউনিটে সম্মেলন করা হবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ইউনিট সম্মেলন শেষ হলেই ওয়ার্ড সম্মেলন শুরু হবে। ওয়ার্ড সম্মেলন শেষ হলেই নগরীর ১৫ থানা সম্মেলন। ১৫ থানায় সম্মেলন করতে ১৫ দিনের বেশি লাগবে না।