» ঝাঁকে ঝাঁকে জালভর্তি রুপালি ইলিশ জেলেদের মুখে হাসি

সরজমিন ঘুরে দেখা, দীর্ঘ ৬৫ দিন অলস সময় কাটিয়ে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কক্সবাজারের জেলেরাশনিবার (২৩ জুলাই) রাত ১২টার পর মাছ শিকারের জন্য নেমে পড়েন পাথরঘাটা উপকূলের জেলেরা। প্রথম দিনেই জেলেদের জালে প্রচুর মাছ ধরা পড়েছে।জালভর্তি মাছ জেলেদের মুখে হাসি। এ যেন স্বপ্নের যাত্রা শেষে সোনার হরিণ পাওয়া। তড়িঘড়ি করে নদী ও সাগর মোহনায় মাছ শিকার করে প্রথম দিন বাজার ধরেন জেলেরা। দীর্ঘদিন পর জালভর্তি মাছ নিয়ে ঘাটে এলে ট্রলার মালিক, অনেক আড়তদার ও জেলেদের মাঝে আনন্দ উল্লাস দেখা গেছে।সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। এছাড়াও জেলেদের জালে ধরা পড়ছে সুরমা, লাল পোয়া, রূপচাঁদাসহ নানা প্রজাতির মাছ। এদিকে সাগরে প্রথম দিন ৭ ঘণ্টা মাছ ধরে উপকূলে ফিরে এসেছে অনেক ট্রলার। এসব ট্রলারে কাজ করা জেলেরা জানান, তারা এক জালেই ৩ হাজার পিস ইলিশ পেয়েছেন। সামনের দিনগুলোতেও এভাবে মাছ পাওয়ার আশা করছেন জেলেরা।

শহরের নুনিয়ারছড়া ফিশারি ঘাটের এফবি আল্লাহর দান ফিশিং বোটের জেলে জালাল উদ্দিন রোববার (২৪ জুলাই) বলেন, ‘শনিবার রাত ১২টার পরে সাগরে গিয়ে মাছ ধরতে শুরু করি। দুই মাস পর সাগারে গিয়ে মাছ ধরেছি। অনেক মাছ পেয়েছি। অনেক খুশি লাগছে।’এদিকে কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের জেলেদের পাশাপাশি মৎস্য ব্যবসায়ীদের মধ্যেও কর্ম ব্যস্ততার শেষ নেই। চাহিদা মতো মাছ কিনে বড় আড়তে পাঠানোর জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। ‘ইলিশের সাইজ অনুযায়ী বিভিন্ন দামে আমরা মাছ কিনছি। তবে ছোট সাইজের মাছ নেই। বড় সাইজের মাছ দেখা যাচ্ছে। এগুলো কেজিতে ১১০০-১২০০ টাকা পর্যন্ত ক্রয় করছি। মণ হিসেবে ৪০ হাজার থেকে ৪৫ হাজার। আর গণনা করে নিলে ১০০ ইলিশের দাম ১৬ হাজার থেকে ১৭ হাজার টাকায় ক্রয় করছি আমরা। বেশি মাছ পাওয়া গেলে দাম একটু কমবে।’ ইলিশের প্রজননের সময় ধরা বন্ধ রাখায় এখন সাগরে প্রচুর ইলিশ মিলছে।চট্টগ্রামের ফিশারিঘাটসহ দেশের বিভিন্ন উপকূলীয় ঘাটে বড় ইলিশের ছড়াছড়ি। একইসঙ্গে সীতাকুণ্ডের সমুদ্র উপকূলের জেলেপল্লীগুলোতে উৎসবের আমেজ চলছে বলে জানা যায়। এসব ঘাটগুলোতে প্রচুর বড় রূপালি ইলিশ আসছে। সাগরপার থেকেও ক্রেতারা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বড় বড় ইলিশ। নগরীর কাট্টলী ও ফিশারিঘাটে জেলেরা