চট্টগ্রামে নেই গ্যাস,অধিকাংশ শিল্পকারখানা-গণপরিবহন বন্ধ

চট্টগ্রামে নেই গ্যাস,অধিকাংশ শিল্পকারখানা-গণপরিবহন বন্ধ
ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনালের এলএনজি সরবরাহের একটি ভাসমান টার্মিনাল গভীর সমুদ্রে ভেসে গেছে ।এতে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এরফলে বন্ধ হয়ে গেছে সিএনজি চালিত গণপরিবহন। বন্ধ হয়ে গেছে অধিকাংশ শিল্প-কারখানার উৎপাদন। চারদিক বিরাজ করছে এক ধরনের গুমোট পরিস্থিতি।
জানা যায়, মহেশখালীর গভীর সাগরে থাকা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ রাখায় চট্টগ্রামের কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। গত শুক্রবার রাত থেকে গ্যাস সংকট শুরু হলেও আজ রোববার সকাল থেকে পুরো নগরীতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। সকাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় খাবারের খোঁজে হোটেলে ছুটছে মানুষ। কিন্তু লাইনের গ্যাসনির্ভর হোটেলগুলোতে রান্না না হওয়ায় সিলিন্ডার দিয়ে যে ক’টি হোটেলে রান্না হয়েছে সেখানে মানুষের প্রচণ্ড ভিড়।সুযোগ বুঝে দাম ও বাড়িয়ে বিক্রী করছেন দোকানীরা। গ্যাস পরিস্থিতি নিয়ে হামিদ বলেন, ‘আমাদের ওই রকম কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। একটা ফ্লোটিং স্টোরেজ রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) বা ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল সরে গেছে। আরেকটি রয়ে গেছে। যেটা রয়ে গেছে সেটি দিয়ে আমরা দু-তিন দিনের মধ্যে গ্যাস চালু করতে পারব।আগামী দুদিনের মধ্যে জাহাজ চলে আসবে, আরেকটি চালু হতে ১২-১৫ দিন সময় লাগবে।’ যেটা খুলে গেছে, সেটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ১০ থেকে ১২ দিন সময় লাগতে পারে।’শিগগিরই আমরা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে পারব। আরও দু-এক দিন সময় লাগতে পারে।’এফএসআরইউ সরে যাওয়ায় গ্যাস সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হবে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘একটি এফএসআরইউ হয়তো আমরা ঠিক করতে পারব না, ৪০০ এমএমসিএফ (মিলিয়ন কিউবিক ফুট) গ্যাসের ঘাটতি থাকবে। আমি মনে করি, এখনকার পরিস্থিতি থাকবে না, উন্নতি ঘটবে। তবে কিছু কিছু জায়গায় প্রভাব থাকবে। সেটা খুব বেশি না। গতকাল (শনিবার) রাত থেকে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল, এটা কভার করে আগামী দুদিনের মধ্যে ভালো অবস্থানে যেতে পারব।’