বিশ্বকবি রবি ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী আজ

এস,আহমেদ ডেক্স প্রতিবেদনঃ দ্বারে আসি দিল ডাক পঁচিশে বৈশাখ আজ ,বাংলার মাটি আর মানুষের অন্তরে ছড়িয়ে আছে যার অপার সৃষ্টি সম্ভার. বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সঙ্গীতের কিংবদন্তি পুরুষ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন আজ। সার্বজনীন এই কবি বাংলাভাষা সাহিত্যকে নিয়ে গেছেন বিশ্ব দরবারে। তাইতো নাগরিক মধ্যবিত্ত মননে আজও বাজে কবির অনিন্দ্যসুন্দর সব গান। তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আজ ২৫শে বৈশাখ। আমাদের কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩ তম জন্মজয়ন্তী।বিশ্বকবির রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।অশান্ত  এই সময়ে কবিগুরুর গান, কবিতা, সাহিত্য মানুষের মনে সাহস জোগায়, মনকে শান্ত করে।এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালির চেতনা ও মননের প্রধান প্রতিনিধি। তার জীবনাদর্শ ও সৃষ্টিকর্ম শোষণ-বঞ্চনামুক্ত, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে চিরদিন বাঙালিকে অনুপ্রাণিত করবে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে রবীন্দ্রনাথের গান হয়ে উঠেছিল প্রেরণার বিশেষ উৎস। শাশ্বত বাংলার মানুষের দুঃখ-কষ্ট, আনন্দ-বেদনা অর্থাৎ সকল অনুভব বিশ্বস্ততার সঙ্গে উঠে এসেছে রবীন্দ্রসাহিত্যে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ইচ্ছাতেই রবীন্দ্রনাথের অনবদ্য সৃষ্টি ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ আমাদের জাতীয় সংগীত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সংকট উত্তরণে প্রেরণা নিতেন রবীন্দ্রসাহিত্য থেকে।

রবিঠাকুর বাঙালির মানসপটে সদাই বিরাজমান। বাঙালির জীবনের যত ভাবনা, বৈচিত্র্য আছে, তার পুরোটাই লেখনী, সুর আর কাব্যে তুলে ধরেছেন কবিগুরু।

তার সাহিত্যকর্ম, সঙ্গীত, জীবনদর্শন, মানবতা, ভাবনা- সবকিছুই সত্যিকারের বাঙালি হতে অনুপ্রেরণা দেয়।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ২৫ বৈশাখের এই দিনে জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঘর আলো করে জন্মগ্রহণ করেছিলেন ।। তাঁর পিতা ছিলেন ব্রাহ্ম ধর্মগুরু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮১৭–১৯০৫) এবং মাতা ছিলেন সারদাসুন্দরী দেবী (১৮২৬–১৮৭৫)… তিনি ছিলেন পিতামাতার চতুর্দশ সন্তান। জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার ছিল ব্রাহ্ম আদিধর্ম মতবাদের প্রবক্তা। রবীন্দ্রনাথের পূর্ব পুরুষেরা খুলনা জেলার রূপসা উপজেলা পিঠাভোগে বাস করতেন। ১৮৭৫ সালে মাত্র চোদ্দ বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথের মাতৃবিয়োগ ঘটে। পিতা দেবেন্দ্রনাথ দেশভ্রমণের নেশায় বছরের অধিকাংশ সময় কলকাতার বাইরে অতিবাহিত করতেন। তাই ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান হয়েও রবীন্দ্রনাথের ছেলেবেলা কেটেছিল ভৃত্যদের অনুশাসনে। বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়-শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেননি; গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তাঁর শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।সার্বজনীন এই কবি বাংলাভাষা সাহিত্যকে নিয়ে গেছেন বিশ্ব দরবারে। মাত্র ১৩ বছর বয়সে প্রতিভার প্রকাশ ঘটে, বাঙালি জীবনের সর্বত্র রয়েছেন তিনি। তাঁর লেখা কবিতায়, গানে, নাটক, উপন্যাস, গল্পে তিনি বাংলা ও বাঙালি জীবনের ভাললাগা, দুঃখ, কষ্ট, শোক-তাপের প্রায় প্রতিটি মূহূর্ত ধরা পড়েছে।কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ কবি কাহিনীতে। উচ্চশিক্ষার জন্য বিলেত গেলেও গতানুগতিক প্রাতিষ্ঠানিক গন্ডীর বাইরে অনন্য এক উচ্চতা ছুঁতে চেয়েছিলেন রবি ঠাকুর।তাঁর রচনা বাঙালি জীবনের সঙ্গে ওতপ্রত ভাবে জড়িয়ে রয়েছে। এত বছর পরেও তাঁর রচিত কবিতা, গান, গল্প অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। অনেকেই বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বদলে গিয়েছে অনেকটাই। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের সমাজ চেতনা, জীবনদর্শন ও সাহিত্য ভাবনা একশো বছর পেরিয়েও সমান প্রাসঙ্গিক। আজ যখন দিকে দিকে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা মাথা চাড়া দিচ্ছে, তখন রবীন্দ্রনাথের ধর্ম ভাবনা যেন মুক্তির পথ দেখায়। শুধুমাত্র নিজের শান্তি বা মুক্তির জন্য ধর্ম নয়, মানুষের কল্যাণের জন্য যে সাধনা, তাই ছিল তাঁর ধর্ম। বাংলা সাহিত্যকে তিনি বিশ্বের দরবারে সম্মানের আসনে বসিয়েছিলেন। ১৯১৩ সালে প্রথম বাঙালি এবং এশীয় সাহিত্যিক হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি।
রবীন্দ্রনাথের রচনা বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বজনীন করে তোলে। গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থার ঘোরতর বিরধী ছিলেন রবীন্দ্রনাথ। পাঠশালার চার দেওয়ালের মধ্যে খুব বেশি দিন মন টেকেনি তাঁর। তাই নিজের পুঁজি আর পুরষ্কার মূল্য দিয়ে শান্তিনিকেতনে তিনি গড়ে তোলেন ‘বিশ্বভারতী’র মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে প্রকৃতির কোলে, গাছের ছায়ায়, মুক্ত পরিবেশে অনন্য উপায়ে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষিত করার নতুন পথ দেখালেন তিনি। আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে বহুযুগ আগেই বাঙালির পরিচয় করিয়েছিলেন তিনি।
দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের পর ভারত তার স্বাধীনতা অর্জন করে ১৯৪৭ সালে। স্বাধীনতার পরিবর্তে দেশ ভাগের মতো যন্ত্রণাদায়ক চিরস্থায়ী মূল্য চুকাতে হয়েছে দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষকে। আজ ভারত আর বাংলাদেশ, দু’টি পৃথক রাষ্ট্র হলেও এই দুই দেশ আজও একই সুত্রে বেঁধে রেখেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এই দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীত রবীন্দ্রনাথেরই রচিত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীতে কলকাতার জোড়াসাঁকোয়, শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী প্রঙ্গণে এবং বাংলা জুড়ে কয়েকশো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তাঁরই লেখা গানে, কবিতায় ছন্দে ছন্দে আন্তরিকতার সঙ্গে পালিত হয় আজ ও।

ছোট বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা-এ তাঁর “অভিলাষ” কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৮ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ প্রথমবার ইংল্যান্ডে যান ব্যারিস্টারি পড়ার জন্য, যদিও পড়াশোনা সম্পূর্ণ না করেই দেশে ফিরে আসেন। ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর (২৪ অগ্রহায়ণ, ১২৯০ বঙ্গাব্দ) ঠাকুরবাড়ির অধস্তন কর্মচারী বেণীমাধব রায়চৌধুরীর কন্যা ভবতারিণীর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিবাহিত জীবনে ভবতারিণীর নামকরণ হয়েছিল মৃণালিনী দেবী । রবীন্দ্রনাথ ও মৃণালিনীর সন্তান ছিলেন পাঁচ জন: মাধুরীলতা , রথীন্দ্রনাথ, রেণুকা , মীরা এবং শমীন্দ্রনাথ । এঁদের মধ্যে অতি অল্প বয়সেই রেণুকা ও শমীন্দ্রনাথের মৃত্যু ঘটে। সন্তানের মৃত্যুশোক তাঁকে সহ্য করতে হয়েছিল, নিঃসন্দেহেই তিনি একজন দুঃখী পিতা ছিলেন। ১৮৯০ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্��ের শিলাইদহের জমিদারি এস্টেটে বসবাস শুরু করেন। ১৯০১ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯০২ সালে তাঁর পত্নীবিয়োগ হয়। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করেন। কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন।১৯২১ সালে গ্রামোন্নয়নের জন্য তিনি শ্রীনিকেতন নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘজীবনে তিনি বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেন এবং সমগ্র বিশ্বে বিশ্বভ্রাতৃত্বের বাণী প্রচার করেন। ১৯৪১ সালে দীর্ঘ রোগভোগের পর কলকাতার পৈত্রিক বাসভবনেই তাঁর মৃত্যু হয়। পারিবারিক শিক্ষা, শিলাইদহের জীবন এবং প্রচুর ভ্রমণ তাকে প্রথাবিরুদ্ধ এবং প্রয়োগবাদী হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করেছিল। তিনি ব্রিটিশ রাজের প্রবল বিরোধিতা করেন এবং মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে পরিচালিত ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনকে সমর্থন করেন। সমাজকল্যাণের উপায় হিসেবে তিনি গ্রামোন্নয়ন ও গ্রামের দরিদ্র জনসাধারণকে শিক্ষিত করে তোলার পক্ষে মতপ্রকাশ করেন। এর পাশাপাশি সামাজিক ভেদাভেদ, অস্পৃশ্যতা, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধেও তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথের দর্শনচেতনায় ঈশ্বরের মূল হিসেবে মানব সংসারকেই নির্দিষ্ট করা হয়েছে; রবীন্দ্রনাথ দেববিগ্রহের পরিবর্তে কর্মী অর্থাৎ মানুষ ঈশ্বরের পূজার কথা বলেছিলেন। সংগীত ও নৃত্যকে তিনি শিক্ষার অপরিহার্য অঙ্গ মনে করতেন। বঙ্গীয় সাহিত্যের আধুনিকীকরণে তিনি ধ্রুপদি ভারতীয় রূপকল্পের কঠোরতাকে ও দুর্বোধ্যতাকে বর্জন করেন। নানান রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিষয়কে উপজীব্য করে রচিত হয়েছে তাঁর উপন্যাস, ছোটোগল্প, সংগীত, নৃত্যনাট্য, পত্রসাহিত্য ও প্রবন্ধসমূহ। তাঁর বহুপরিচিত গ্রন্থগুলির অন্যতম হল গীতাঞ্জলি, গোরা, ঘরে বাইরে, রক্তকরবী, শেষের কবিতা ইত্যাদি। রবীন্দ্রনাথের কাব্য, ছোটোগল্প ও উপন্যাস গীতিধর্মিতা, সহজবোধ্যতা, ধ্যানগম্ভীর প্রকৃতিবাদ ও দার্শনিক চিন্তাধারার জন্য প্রসিদ্ধ। তাঁর রচিত অমর সৃষ্টি আমার সোনার বাংলা ও জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে যথাক্রমে বাংলাদেশ ও ভারত রাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত। পৃথিবীর অনেক দেশ তাঁর মুখাকৃতি দিয়ে ডাক টিকেট ছাপিয়েছেন। যে দেশ গুলো তাঁর মুখাকৃতি দিয়ে ডাক টিকেট ছঁপিয়েছেন তার মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, বুলেগরিয়া, ইয়েমেন, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ভেনেজুয়েলা, রোমানিয়া, রাশিয়া, সুইডেন, ভিয়েতনাম উল্লেখ যোগ্য। এছাড়াও আফ্রিকান সাগরের একটি আগ্নেয়দ্বীপ কোমোরো আইল্যান্ড থেকে ১৯৭৭ সালে পৃথিবীর সব ডাকসাইটেদের নিয়ে একটি ডাকটিকেট প্রকাশ করেছিল। আর এই ডাকসাইটেদের একজন হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তার আবক্ষ মূর্তি বানিয়েছেন আধুনিক শিল্পকলার মহিরুহদের একজন স্যার জেকব এপস্টাইন, তাঁর কবিতা ইরেজিতে অনুবাদ করেছেন পৃথিবী বিখ্যাত আইরিশ কবি ডব্লিউ বি ইয়েটস্, ফরাশি কবি আঁদ্রে জিদ ও সাঁ জঁ পার্স, স্প্যনিস কবি হুয়ান রামোন, হিমেনেথ কিংবা রুশ কবি ও কথা সাহিত্যিক বরি পাস্তেরনাক। ১৯১৩ সালে বাংলা সাহিত্যর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার অমর কীর্তি গীতাঞ্জলীর জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। আর অনন্ত কালের জন্য অমর করে রেখে যান বাংলা ভাষাকে বিশ্ব সংস্কৃতির দরবারে। একজন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাই বাংলা ভাষাকে কয়েক শত বছর সামনে এগিয়ে দিয়ে গিয়েছেন নিঃসন্দেহে।

রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীতে যত কর্মসূচি

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় পর্যায়ে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এবার রবীন্দ্র জন্মবার্ষিকীর মূল অনুষ্ঠান হবে রবীন্দ্র স্মৃতিবিজড়িত নওগাঁর পতিসরে। এ ছাড়াও জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বিশ্বকবির স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ার শিলাইদহ, সিরাজগঞ্জের শাহ্জাদপুর এবং খুলনার দক্ষিণডিহি ও পিঠাভোগে স্থানীয় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন করা হবে। এ উপলক্ষ্যে রবীন্দ্রমেলা, রবীন্দ্রবিষয়ক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে তিন দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কবির চিত্রশিল্প প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। বাংলা একাডেমিও  আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।