চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণে সড়কে অথৈয় পানি

ব্রেকিং নিউজ »
 » ১৬আষাঢ়,রবিবর৩০শে জুন
চট্রগ্রামে ভোররাত থেকে থেমে থেমে টিপ টিপ গুঁড়ি গুঁড়ি আবার এখন ভারী বর্ষণ হচ্ছে।তার পর ও তীব্র গরম গুমোটভাব ।বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়েছে লঘুচাপ।এর প্রভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির হচছে
গতকাল থেকেই ঘনকালো মেঘে ছেয়ে আছে চারিদিক ঝড়ছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি । থেমে থেমে কখনো অঝোর বৃষ্টিতে দুর্ভোগের সৃষ্টি প্রধান সড়কসহ শহরের অলিগলিতে ব্যাপক জলাবদ্ধতার এতে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় পথচারী শিক্ষার্থী ও কর্মজীবনে বের হওয়া মানুষদের। তীব্র ভারী বর্ষণে তেমন একটা মানুষর উপস্হিতি নেই বললেই চলে। গাড়ি শুন্য সড়ক অথৈয় পানিতে মানুষের চলে ফেরা চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয় ।বৃষ্টির পানিতে নালার কর্দমার্ত পনি ও জলাবদ্ধতার ফলে এলাকার মানুষের বেড়েছে ভোগান্তি চলাচল করা অনেক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ রিপোর্ট লিখা ১০টা ৩০ এ সরজমিন ঘুরে ঝোড়ো হাওয়াসহ ভারী ও অতিভারী বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান দিচ্ছে ।গতকদিন তাপপ্রবাহের অস্বস্তি নিয়ে কঠিন দিন পার করতে হচ্ছিল নগরবাসীকে।এ নগরীর বেশ কিছু একাকা ভোর থেকে টানা অঝর বর্ষণে স্বস্তির বৃষ্টি যখন অস্বস্তি হয়ে ওঠে এমন টানা বৃষ্টিতে কিছুক্ষণের মধ্যে ডুবে যায় নগরের রাস্তাঘাট ও অলিগলি।ভোগান্তি আর দুর্ভোগ সঙ্গী করে ঘরে ফিরতে হয়েছে অনেককেই।এমন বৃষ্টিতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলার কথা সবার। তবে তা আর হয়ে ওঠেনি।শুধু যে জলাবদ্ধতা তা নয়, বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া চট্রগ্রাম শহর ডুবে যাবে গেছে যাবেই অতীতে মতোই প্রধান সড়ক সহ অলিগলি হাটু থেকে গলা সমান পনিতে থৈ থৈ । চট্টগ্রামের নিচু এলাকাসহ অনেক এলাকা পানিতে তলিয়ে যায় সড়ক। নগরের পাঁচলাইশ, প্রবর্তক মোড়, ২ নম্বর গেট, মুরাদপুর, শুলকবহর, মির্জাপুল, ওয়াসা মোড়, তিন পোলের মাথা, আগ্রাবাদ কমার্স কলেজ এলাকা, চকবাজার, বহদ্দারহাট এলাকায় জলাবদ্ধতা হয়। কোথাও কোথাও গোড়ালি থেকে হাঁটুসমান পানি জমেছিল।নগরের বাকলিয়া এলাকার বাসিন্দা বলেন, বাসা থেকে বহদ্দারহাট এসে দেখেন পানি। এরপর শুলকবহরেও ছিল হাঁটুপানি। পরে উড়ালসড়ক দিয়ে আসেন। কিন্তু প্রবর্তক মোড়ে এসে আবার বিপাকে পড়েন। সেখানে হাঁটুপানিতে রাস্তা ডুবেছিল।চাক্তাই খালের পাশের এলাকায় বৃষ্টি শুরুর পরপরই পানি উঠতে শুরু করে। ‘চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও আজ শুক্রবার (২৮ জুন) সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় ভারী (৪৪ থেকে ৮৮ মিমি) থেকে অতি ভারী (৮৯ মিমি) বর্ষণ হতে পারে।ভারী বর্ষণজনিত কারণে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও বান্দরবন জেলার পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কার কথা জানান।