চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিতে আবারও জলাবদ্ধতা

মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় বন্দরনগরী চট্টগ্রামে থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। শনিবার থেকে শুরু হওয়া আষাঢ়ের এই বৃষ্টি কখনো ভারি এবং কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হওয়ায় জনসাধারণের দুর্ভোগ বাড়িয়েছে।এতে সকালে কর্মজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েন।নগরীর নিুাঞ্চলসহ বেশকিছু সড়কে আবারও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।অনেকে কাদা-পানি মাড়িয়ে বৃষ্টিতে ভিজে কর্মস্থলে গেছেন। আবার কেউ বৃষ্টির জন্য বাড়ি থেকে বেরই হতে পারেননি। এদিন দুপুর ২টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ১৫২ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস।আবহাওয়া সূত্রে জানা আরও ২-৩ দিন চট্টগ্রাম ও আশপাশের এলাকায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে ভারি বর্ষণের আশঙ্কাও রয়েছে। এছাড়া টানা ও ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
চলতি মৌসুমে এর আগে দফায় দফায় ভারি বর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় আগ্রাবাদ, অক্সিজেন মুরাদপুর সড়ক, চকবাজার, বাদুড়তলা, মুরাদপুর-পাঁচলাইশ-মেহেদীবাগ সড়ক, বিমানবন্দর সড়ক, পোর্ট কানেকটিং রোডসহ বেশিরভাগ সড়কেই সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ। আবার ওয়াসার খোঁড়াখুঁড়ির কারণে এবড়োখেবড়ো হয়ে আছে অনেক সড়ক। সামান্য বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পানি জমে এসব সড়ক যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। গতকাল ও আজকের বৃষ্টিতেও এসব সড়ক দিয়ে রিকশা ও সিএনজি আটোরিকশার মতো ছোট যানবাহন চলাচলে বেগ পেতে দেখা গেছে। চকবাজার, ডিসি রোড, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকা, হালিশহরসহ নগরীর বিভিন্ন নিচু এলাকার সড়ক বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে হাঁটু পর্যন্ত ডুবে যায়।মঙ্গলবারও সারাদিন বৃষ্টি থাকতে পারে। উপকূলীয় এলাকা ও বন্দরগুলোর ওপর দিয়ে দমকা ও ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।