তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

আজ বৃহস্পতিবার(০১এপ্রিল)শীত যেতে না যেতেই তীব্র গরমে অতিষ্ঠ এ নগরী।চলছে তীব্র গরম। হঠাৎ তীব্র গরমে আজ যেন নেতিয়ে পড়েছে পুরো চট্রগ্রাম নগরীতে। সেই সাথে রোদের তাপ-দাহের কথা না বললেই নয়। সূর্যের প্রখর তাপ আর ভ্যাপসা গরমে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে প্রণীকূল।এতে সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ছে ।এরই মধ্যে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। এই মুহূর্তে সবাই যখন করোনা ভাইরাস নিয়ে উদ্বিগ্ন ঠিক তখনই ফেঁপে উঠেছে প্রকৃতি। বৈশাখের তীব্র খরতাপ বেড়েই চলেছে। এতে হাঁসফাঁস করছে চট্টগ্রামবাসীর জীবন।ফলে জীবিকার তাগিদে করোনার মাঝেও যেসব শ্রমজীবিরা রোদের তেজ উপেক্ষা করে ঘর থেকে রাস্তায় বের হয়েছেন তারাই পড়েছেন সীমাহীন দুর্ভোগে।

এছাড়া গরমের এ তাপদাহতে বাইরের খাবার বর্জন করে ঘরে নিরাপদে থেকে বেশি বেশি ফলমূল ও ঘন ঘন পানি পান করতে হবে।প্রচণ্ড গরমে দেশের বিভিন্ন জায়গায় মানুষ অস্থির হয়ে উঠেছে। গত কয়েকদিন যাবত বাংলাদেশে তীব্র গরম পড়ছে।এছাড়া বাতাসে প্রচুর জলীয় বাষ্প রয়েছে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের মাত্রা বেশি বেশি হলে সেটি সূর্যের তাপমাত্রাকে ধরে রাখে। ফলে গরম বেশি অনুভূত হয়।গতকাল দিনে এবং রাতে ছিল প্রচণ্ড গরম। এটা সহ্য করার মতো না। আজ গরম আরো বেশি। “প্রচন্ড তাপদাহে দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে জনজীবন। টানা প্রখর রোদে মানুষের প্রাণ প্রায় ওষ্ঠাগত। গরম বাতাস শরীরে লাগছে আগুনের ঝাপ্টার মতো। ঘরে-বাইরে কোথাও কোনো স্বস্তি নেই।বিশেষ করে গরমে সবচেয়ে বেশি কাতর হয়ে পড়ছেন শিশু ও বৃদ্ধরা। তীব্র গরমে বিপর্যস্ত নগরজীবন। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়,চট্রগ্রামের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ দশমিক ২৯°ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।তীব্র গরম আর কাঠফাটা রোদে নগরের প্রাণিকুল জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।এতে সব চেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। রোদের তেজে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না অনেকেই। একটু স্বস্তি ঠান্ডা পানিসহ গাছের ছায়াতলে আশ্রয় নেন অনেকেই।