সর্বাত্মক লকডাউনের প্রথম দিনে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আজ বুধবার ভোর ৬টা থেকে দেশব্যাপী শুরু হয়েছে আটদিনের কঠোর বিধিনিষেধ। লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন সর্বাত্মক লকডাউনের প্রথম দিনে সরকারি বাধিনিষেধ বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে জেলা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।শহর ও শহরতলিতে চলছে পুলিশের টহল। বিভিন্ন স্থানে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। রাস্তাঘাট অনেকটাই ফাঁকা।
গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও পণ্যবাহী ও জরুরি সেবাদানকারী যান চলাচল করছে। শহরের শপিং মল ও দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। খোলা রয়েছে নিত্যপয়োজনীয় দ্রব্যাদির দোকান। সরকারের জারি করা ১৩ দফা বিধিনিষেধ সংক্রান্ত জনসচেতনতা বাড়াতে চলছে প্রচার-প্রচারণা।এছাড়া সর্বাত্মক লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা ও উপজেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এই বিধিনিষেধ বহাল থাকবে আগামী ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত ।সাধারণ ছুটির আওতায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাকি সবরকম সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সার্বিক বিষয়ে তদারকি ও কঠোরভাবে বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে মাঠে থাকবে প্রশাসন।তার পরও লোকজন অহেতুক বের হচ্ছে নগরীর বাকলিয়া ,বহদ্দারহাট চৌমহনী পাহাড়তলী অলংকার সহ বেশ কিছু এলাকায় ববসাা প্রতিষ্ঠানসহ কাচাবাজার এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি দূরে থাক, মানুষের মাস্ক পরতেও অনীহা। এছাড়াও লকডাউনে নগরী ও শহরতলির মুদি দোকানগুলোতে ভিড় করেন ক্রেতারা।
ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত চলমান এই লকডাউনকে সামনে রেখে বেশকিছু বিধিনিষেধ জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এসব বিধিনিষেধ কঠোরভাবে পালন করতে বলা হয় সারা দেশের মানুষকে। এগুলো হলো:
-জরুরি সেবাদানকারীরা ছাড়া বাকি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সব বন্দর এবং সংশ্লিষ্ট অফিস এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।